ইলিয়াটগঞ্জ হাইওয়ে ফাঁড়ির সাবেক ওসি মনির হোসেন এর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

Chif Editor

জহির মারুফ, কুমিল্লা প্রতিনিধি :- ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক ময়নামতি ও ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির আংশে চান্দিনা কাঠেের পুল ড্রাম্পিং করার নামে অটো রিকশা ভ্যান আটকের সময় বাঙ্গাড়ি দোকানে ব্যাটারী ও মটর বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কে হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির অংশে (২০১৮ সাল থেকে ২০২৪ সাল) পর্যন্ত ব্যাটারি ও মটর অবৈধ ভাবে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ কারী মোঃ মমতাজ উদ্দিন বলেন কুমিল্লা উওর জেলার হাইওয়ে সড়কের উওর পাশের দেবিদ্বার উপজেলার ১৬ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ টি ইউনিয়ন সহ খাদঘর এলাকায় ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম ও ময়নামতি হাইওয়ে ক্রসিং ইনচার্জ মোঃ আলমগীর হোসেন এর যোগসূত্রে অভিযানকারীরা অটো ভ্যান আটক করে ব্যাটারী ও মটর হাবিবুর রহমান টেক্সটাইল মেইল বাঙ্গাড়ি দোকান মালিক মৃত কফিল উদ্দিন এর ছেলে সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান সরকার এর নিকট গোপেনে বিক্রি করত।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায় বাংলাদেশ রিকশা ভ্যান৷ চালক শ্রমিক ফেডারেশন যার রেজিঃ নং বি- ২০৯০ এর কোষাধ্যক্ষ মোঃ বাদশা মিয়ার নিকট হইতে সরকারি রিসিটের মাধ্যমে রেকার বিলের জন্য ১ হাজার গাড়ী বাবদ ৮৮০০০০ হাজার টাকা তৎকালীন ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে ইনচার্জ মোঃ মনিরুল ইসলাম গ্রহন করেন।পরবর্তী সময়ে গাড়ীর মালিকদের কে নিয়ে চান্দিনা কাঠেরপুল ড্রাম্পিং এ স্ব স্ব গাড়ীর মালিকদের কে নিয়ে গাড়ি আনতে যাই। তারপর ড্রাম্পিং কতৃপক্ষ গাড়ি বোঝাই দেওয়ার আমরা দেখতে পাই মটর ও ব্যাটারী নেই। তখন কতৃপক্ষ কে অবগত করলে তারা বলেন এই বিষয় টি আমার জানা নেই তবে ইনচার্জ মোঃ মনির স্যার জানে। এ সময় মনিরুল ইসলাম অফিসে ছিল না। তখন তার মোঠুফোনে একাধিক বার ফোন দিলে ফোনটি রিসিভ করে নাই। যার ফলে তাৎক্ষনিক ভুক্তভোগীরা মিছিল সহ মানববন্ধন করেন। এ মানববন্ধনে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা ও বাংঙারী দোকান মালিক তার দলবল নিয়ে আন্দোলন রত শ্রমিক ফেডারেশন এর সদস্যদের মারদর করে মাইক কেড়ে নেয়। এ সময় আন্দোলন কারী প্রায় ১০ জন আহত হয়ে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ চিকিৎসা গ্রহন করে।

তিনি আরো বলেন গত আওয়ামী লীগের আমলে শাজাহান সরকার প্রভাব খাটিয়ে জোর পুর্বক তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আমার নিজ বাড়ী বিক্রির নামে দলিলে স্বাক্ষর নিয়ে দখল করে আমাকে বাড়ি থেকে বাহির করে দেয়। তার পছন্দ মত স্বাক্ষীর স্বাক্ষর বসিয়ে নেয়। তখন আমি নিরুপায় হয়ে বাড়িঘর ফেলে প্রান ভয়ে আমার পরিবার নিয়ে কুমিল্লা চলে যাই।

উক্ত বিষয়ে পরের দিন জেলা প্রসাশন, হাইওয়ে এসপি হাউজিং ডি আইজি হেড কোয়ার্টার উওরা, অফিসার ইনচার্জ চান্দিনা থানায় ও একটি প্রাথমিক অভিযোগ করি। পরবর্তী সময়ে কুমিল্লা জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট দাউদকান্দি একটি মামলা করি। মামলা নং ২২ / ২০২০ ও ১৩৫/২০২০।

উল্লেখ্য উক্ত মামলাটি চলমান মামলার তদন্ত রিপোর্ট টি সন্তুসজনক না হওয়ায় না রাজি দেই। না রাজি আমলে নিয়ে জেলাপ্রশাসকের নিকট পাঠায়। উক্ত বিষয় টি জেলা প্রসাশক আমলে নিয়ে পুলিশসূপারের কাছে পাঠালে বিষয়টি তদন্তের জন্য দেবিদ্বার উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃ ফয়সাল উদ্দিন এর কে তদন্তের দায়িত্ব দেন।
মোঃ মমতাজ উদ্দিন বলেন আমি আসাবদী উপজেলা সহকারী কমিশনার মোঃ ফসাল উদ্দিন সূষ্ঠ তদন্ত করে ন্যায় বিচারের ব্যাবস্থা করবেন

Leave a Reply