শিরোনাম
স্টিমার সার্ভিস চালু, বিমানের ফ্লাইট বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান অর্থের লোভে বিবাহ সম্পাদন করাসহ নানা অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের মোখলেছুর কাজী বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আগামী ৫ দিন বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর পূর্বাভাস ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না: হাইওয়ে ডিআইজি সাড়ে ৫৮ হাজার টন গম নিয়ে মোংলায় পৌঁছাল জাহাজ জুনে চালু হবে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরানে হামলা করার মতো তেমন কিছুই অবশিষ্ট নেই: ট্রাম্প ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন গ্রেপ্তার হরমুজ প্রণালীর কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কনটেইনার জাহাজ ক্ষতিগ্রস্ত

টেকাপাড়ায় অবৈধ নির্মাণে “অদৃশ্য শক্তির প্রভাব” রাজউকের চিঠিতে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের কথা থাকলেও কার্যকর হয়নি

Chif Editor

মোঃ আলমগীর হোসেন, নিজস্ব প্রতিবেদক :- রাজধানীর বনশ্রী–মেরাদিয়া কলার আরত সংলগ্ন টেকাপাড়া এলাকায় আলাউদ্দিন গং-এর নির্মাণাধীন ভবন নিয়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) তদন্ত করে নির্মাণ বিধিমালা লঙ্ঘনের কারণে বিদ্যুৎ, পানি ও গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার জন্য গত ২৯ জুলাই ২০২৫ তারিখে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি পাঠালেও এখনো পর্যন্ত তার কোনো বাস্তবায়ন হয়নি।

রাজউক অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা আবাসিক অঞ্চল-১ (জোন-৬) এর দপ্তর থেকে ইস্যুকৃত ওই চিঠিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়—উক্ত নির্মাণ কার্যক্রম অনুমোদিত নকশার বাইরে হওয়ায় তা আইনগতভাবে বন্ধ করতে হবে এবং ইউটিলিটি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করতে হবে। কিন্তু চিঠি পাঠানোর চার মাস পরেও বাস্তবায়ন না হওয়ায় ব্যাপক প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে স্থানীয়দের মাঝে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজউকের তদন্তে অনিয়ম প্রমাণিত হওয়া সত্ত্বেও ভবনের নির্মাণকাজ অবৈধভাবে জারি রয়েছে। রাজউকের অসাধু কিছু কর্মকর্তা–কর্মচারীর যোগসাজশে এ নির্মাণ কার্যক্রম সচল রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

আজ ৩ ডিসেম্বর ২০২৫ রাজউকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন–কে এ বিষয়ে ফোনে জানালে তিনি বলেন, “আবারও চিঠি দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” কিন্তু কেন আগের নির্দেশনা বাস্তবায়ন হলো না—সে সম্পর্কে তিনি সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা বলছেন, “রাজউকের পরিদর্শক তদন্ত করে আনুষ্ঠানিক চিঠি ইস্যু করেছেন। তারপরও যদি সংযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়, তবে কোনো শক্তিশালী প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়া ছাড়া এমনটা সম্ভব নয়।”

ঘটনাটি এখন স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাজধানীর নগর পরিকল্পনা আইন ও রাজউক বিধিমালা ভঙ্গ করে চলমান নির্মাণ কেন বন্ধ হচ্ছে না, কে বা কারা এর পেছনে রয়েছে—তা জানতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে আনুষ্ঠানিক অনুসন্ধান চলছে।

স্থানীয়রা রাজউক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন—অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ ও আইনি পদক্ষেপ নিশ্চিত করার জন্য।

Leave a Reply