শিরোনাম
অন্তত দেড় হাজার মোবাইল ব্যবসায়ী বে-আইনি কার্যক্রমে জড়িত: এমআইওবি বছরজুড়ে বরিশালের আলোচিত যত ঘটনা শাহজালাল ফার্টিলাইজারের সাবেক হিসাব প্রধানের ১২ ফ্ল্যাটসহ সম্পদ জব্দ নজরুল ইসলাম মজুমদারসহ ৩০ জনের নামে চার্জশিট অনুমোদন সামাজিক মাধ্যমে সহিংসতা বন্ধে ইসির উদ্যোগ দেখা যায়নি: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য সারজিসের হলফনামা: সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে খতিয়ে দেখবে দুদক সেন্টমার্টিনে মাস্টারপ্ল্যানে ট্যুরিজমের আগে সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিতে হবে: রিজওয়ানা হাসান চৌদ্দগ্রাম আসনে বিএনপি প্রার্থী কামরুল হুদার বিরুদ্ধে ১১ কোটি ৮৩ লাখ টাকার গ্যাস চুরি অভিযোগ দাউদকান্দি থানা থেকে লুট হওয়া অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি ভালোবাসা আর শ্রদ্ধায় চির বিদায় নিলেন উত্তরাঞ্চলের সাংবাদিকতার বাতিঘর মন্টু

আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে মানবতা বিক্রি- খুচরা না দিলে থেরাপি বন্ধ, পার্কিংয়ে ঘণ্টাভিত্তিক লুট!

Mehraz Rabbi

নিজস্ব প্রতিবেদক।। রাজধানীর নামকরা আহ্ছানিয়া মিশন ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসে রোগী ও স্বজনরা পড়ছেন অমানবিক ভোগান্তিতে। সেবার নামে চলছে খুচরা টাকার জুলুম আর ঘণ্টাভিত্তিক পার্কিং বাণিজ্য।

 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে রেডিওথেরাপি নিতে আসা ক্যান্সার রোগী সারজিস আখন (ছদ্মনাম) কাউন্টারে গিয়ে শুনলেন,১৬০ টাকা ভাংতি না দিলে রিসিট কাটা হবে না। সকাল ১০টা ২০ মিনিটে থেরাপির সময় থাকলেও খুচরা না থাকায় তাকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। ২৫টি থেরাপির জন্য ১৫% ছাড় পাওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে নাকি খুচরা বাধ্যতামূলক,এমনই অমানবিক শর্ত। ফলে সিরিয়াল থাকা সত্ত্বেও থেরাপি পিছিয়ে যায়।বাইরে তথ্য ডেস্কে আরও ভয়ংকর অভিযোগ,জরুরি বিভাগে ভর্তি রোগীর স্বজন আব্দুল জব্বার সিকদারের কাছ থেকে মোটরসাইকেল পার্কিং বাবদ ১২ ঘণ্টায় ১২০ টাকা আদায়। এখানে মোটরসাইকেলে ঘণ্টায় ১০ টাকা, প্রাইভেট কার/মাইক্রোতে ঘণ্টায় ৫০ টাকা,নির্ধারিত “রেট”। প্রশ্ন উঠছে, চিকিৎসা নিতে এসে রোগীরাই কেন পার্কিং ভাড়া দেবেন? তাহলে সার্ভিস চার্জ কিসের?

৪ জানুয়ারি সরেজমিনে প্রতিবেদক নিজেও একই ভোগান্তির শিকার হন,তিন ঘণ্টা অপেক্ষা শেষে ৩০ টাকা পার্কিং ফি গুনতে হয়।

তথ্য ডেস্কে জানতে চাইলে দায় এড়াতে অন্য হাসপাতালের উদাহরণ টানা হয়। প্রশাসনের কেউই সেদিন উপস্থিত ছিলেন না। শেষে রেডিওথেরাপি বিভাগের প্রধান ডা. জাহাঙ্গীর আলম স্বীকার করেন,রোগীদের জন্য পার্কিং ফ্রি হওয়া উচিত, খুচরা টাকার দায়ও হাসপাতাল প্রশাসনের। অভিযোগ বইতে লিখলে বোর্ড মিটিংয়ে তোলা হবে,এই আশ্বাসই মিলেছে।

 

রোগী ও স্বজনদের স্পষ্ট দাবি,রোগীর পরিচয়পত্র যাচাই করে পার্কিং সম্পূর্ণ ফ্রি করতে হবে।খুচরা টাকার অজুহাতে চিকিৎসা আটকে দেওয়া বন্ধ করতে হবে।

 

মানবিকতা ছাড়া ক্যান্সার চিকিৎসা নয়,এ সত্যটা হাসপাতাল প্রশাসনকে বুঝতে হবে।

Leave a Reply