শিরোনাম
তিন গন্তব্য বাদে মধ্যপ্রাচ্যে বিমানের ফ্লাইট চলাচল শুরু বিশেষ ব্যবস্থায় সৌদি আরব থেকে ফিরছেন মুশফিক ৬ মার্চ অনশনে বসছেন মমতা ক্যান্সার আক্রান্ত জিসানের চিকিৎসায় আবারও সহায়তা দিলেন তারেক রহমান আবুধাবি-কুয়েতে বাংলাদেশিসহ ঝরল চার প্রাণ ৬৫০ কোটি টাকার ডেমু ট্রেন প্রকল্প: কয়েক বছরের মধ্যেই অচল, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় ধ্বংস হলো সম্ভাবনাময় রেলসেবা বিভিন্ন স্থানে সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও মামলার প্রতিবাদে রংপুরে সম্মিলিত সাংবাদিক সমাজের মানববন্ধন চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাসায় গুলি, সন্ত্রাসী রায়হান-ইমনকে ঘিরে নতুন আতঙ্ক চিড়িয়াখানাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার: কৃষি প্রতিমন্ত্রী চান্দিনায় ঘরের আঁড়ায় ঝুলেছিল মা-মেয়ের লাশ

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের জমি-গাড়ি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ময়মনসিংহ, গাজীপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৫ দশমিক ৩৭ একর জমি এবং তিনটি গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত।

এসব সম্পত্তির বর্তমান মূল্য ৬ কোটি ২৫ লাখ টাকার বলে আবেদনে তদন্তকারী কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম আবেদনে উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া তার নামে থাকা ৬ টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এসব ব্যাংক হিসাবে ৫০ লাখ ১৪ হাজার টাকা স্থিতি রয়েছে বলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আবেদনে উল্লেখ করেন।

আজ সোমবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

ঢাকা মহানগর দায়রা জাজ আদালতের বেঞ্চ সহকারি মোঃ রিয়াজ হোসেন বাসস’কে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আবেদনে বলা হয়েছে, আনিসুল হকের বিরুদ্ধে পাবলিক সার্ভেন্ট হিসেবে অপরাধমূলক অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অসাধু উপায়ে নিজ নামে ও তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের নামে  ২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্ঞাত আয়ের উৎসের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ ১৪৬  কোটি  ১৯ লাখ টাকার সম্পদের মালিকানা অর্জনপূর্বক দখলে রাখা এবং ২৯ টি ব্যাংক হিসাবে ৩৪৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা জমা ও  ৩১৬ কোটি ৪৮ লাখ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে সন্দেহজনক লেনদেন করে মানিলন্ডারিং-এর সম্পৃক্ত অপরাধ ‘দুর্নীতি ও ঘুস’ সংঘটনের মাধ্যমে প্রাপ্ত অর্থ বা সম্পত্তির অবৈধ উৎস গোপন বা আড়াল করায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলাটি তদন্ত চলমান রয়েছে। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা, ২০০৭ এর ১৮ বিধি তৎসহ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ১৪ ধারা মতে আসামীর অপরাধলব্ধ বর্ণিত সম্পদসমূহ ক্রোক  করা প্রয়োজন। তার সম্পদসমূহ ক্রোক  করা না গেলে তা বিক্রি বা হস্তান্তর করা হতে পারে এবং বিচারকালে তা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা সম্ভব হবে না। এতে রাষ্ট্রের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সূত্র: বাসস

Leave a Reply