শিরোনাম
পুকুর ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে জরিমানা,৭ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

কুমিল্লা ইপিজেড সরকারী জায়গা অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদের দাবি এলাকাবাসীর

Chif Editor

কুমিল্লা টমছমব্রীজ-মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সড়কের ইপিজেড রোডে সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট, ভ্যান করে সবজি বিক্রি করছে। যার কারণে টমছমব্রীজ-বাখরাবাদ সড়কটি সংস্কার করতে গিয়ে বাঁধার সম্মখীন হচ্ছেন ঠিকাদার। ইতিমধ্যে দোকান উচ্ছেদের নোটিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দিলে আসলেও দোকান মালিকরা কোন কর্ণপাত করছে না। যার কারণে ইপিজেড ছুটির সময় যানজট লেগেই থাকছে এবং সড়ক সংস্কার করতে পারছে না। অপরদিকে অদৃশ্য কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানায়, কুমিল্লার গুরুত্বপূর্ণ বাখরাবাদ-মেডিকেল কলেজ সড়কটি দীর্ঘদিন পর সংস্কার এবং প্রশস্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। ইতিমধ্যে সড়কটি সংস্কারের প্রায় ৫০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সড়কের পাশে দোকান পাট নির্মাণ করে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, চটপটি, চা, ডিম এবং হোটেল দেয়া হয়েছে। ঠিকাররা একাধিকবার নোটিশ দিলেও দোকানদাররা কোন কর্ণপাত করছে না। পরবর্তীতে গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী দোকান উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দিলেও সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোন উচ্ছেদ হচ্ছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় দোকানদাররা জানান- সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট নির্মাণ করার কারণে আমাদের দোকানগুলো অন্ধকার হয়ে গেছে। আমাদের ব্যবসা মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। আমরা লাখ লাখ টাকা অগ্রিম ও পুঁজি বিনিয়োগ করে তাদের জন্য ব্যবস্থা করতে পারছি না।

এক দোকানদার জানান- প্রভাবশালীরা সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। যার কারণে আমাদের দোকানগুলো অন্ধকার হয়ে গেছে। আমাদের ব্যবসা মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।
ঠিকাদারের এক সহযোগি জানান- আমরা একাধিকবার তাদেরকে বলার পরে তারা কোন কর্ণপাত করছে না। যার কারণে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। দোকানপাট উচ্ছেদ না হলে সড়কটি সোজা না হয়ে বাঁকা হয়ে যাবে এবং সরু হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে তাদেরকে নোটিশ দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply