শিরোনাম
কুমিল্লায় স্বতন্ত্র-প্রার্থী হাজী ইয়াসিনকে হতাশ করলেন বেগম রাবেয়া চৌধুরী বন্দরটিলা জেলে পাড়ায় জামায়াতের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ হাদী হত্যার বিচারের দাবীতে অবস্থান কর্মসূচিতে লাঠিচার্জের অভিযোগ ইরানের চলমান অস্থিরতার নেপথ্যে কারা, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ‘তথ্য যাচাই হলে ২০০৮ সালের নির্বাচনেই হাসিনার প্রার্থিতা বাতিল হতো’ আরব আমিরাতে দণ্ডিত আরও ২৫ প্রবাসী বাংলাদেশিকে ক্ষমা বিক্ষোভ দমনে ‘মৃত্যুদণ্ড’ দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের ভেনেজুয়েলার থেকে তেল কিনবে ভারত ‘ভারতে বাংলাদেশি শনাক্তে এআই টুল তৈরি হচ্ছে’ বিটাস ফার্মাসিউটিক্যালসের মালিক পরিচয়ে প্রতারণা, জাহাঙ্গীর অপু গ্রেপ্তার

কুমিল্লা ইপিজেড সরকারী জায়গা অবৈধ দোকানগুলো উচ্ছেদের দাবি এলাকাবাসীর

Chif Editor

কুমিল্লা টমছমব্রীজ-মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সড়কের ইপিজেড রোডে সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট, ভ্যান করে সবজি বিক্রি করছে। যার কারণে টমছমব্রীজ-বাখরাবাদ সড়কটি সংস্কার করতে গিয়ে বাঁধার সম্মখীন হচ্ছেন ঠিকাদার। ইতিমধ্যে দোকান উচ্ছেদের নোটিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দিলে আসলেও দোকান মালিকরা কোন কর্ণপাত করছে না। যার কারণে ইপিজেড ছুটির সময় যানজট লেগেই থাকছে এবং সড়ক সংস্কার করতে পারছে না। অপরদিকে অদৃশ্য কারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ না করায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানায়, কুমিল্লার গুরুত্বপূর্ণ বাখরাবাদ-মেডিকেল কলেজ সড়কটি দীর্ঘদিন পর সংস্কার এবং প্রশস্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সিটি করপোরেশন। ইতিমধ্যে সড়কটি সংস্কারের প্রায় ৫০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এর মধ্যে সড়কের পাশে দোকান পাট নির্মাণ করে কাঁচাবাজার, মুদি দোকান, চটপটি, চা, ডিম এবং হোটেল দেয়া হয়েছে। ঠিকাররা একাধিকবার নোটিশ দিলেও দোকানদাররা কোন কর্ণপাত করছে না। পরবর্তীতে গত সপ্তাহে সেনাবাহিনী দোকান উচ্ছেদের জন্য নির্দেশ দিলেও সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোন উচ্ছেদ হচ্ছে না। এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় দোকানদাররা জানান- সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট নির্মাণ করার কারণে আমাদের দোকানগুলো অন্ধকার হয়ে গেছে। আমাদের ব্যবসা মন্দাভাব দেখা দিয়েছে। আমরা লাখ লাখ টাকা অগ্রিম ও পুঁজি বিনিয়োগ করে তাদের জন্য ব্যবস্থা করতে পারছি না।

এক দোকানদার জানান- প্রভাবশালীরা সরকারী জায়গা দখল করে দোকান পাট নির্মাণ করে ভাড়া দিয়েছেন। যার কারণে আমাদের দোকানগুলো অন্ধকার হয়ে গেছে। আমাদের ব্যবসা মন্দাভাব দেখা দিয়েছে।
ঠিকাদারের এক সহযোগি জানান- আমরা একাধিকবার তাদেরকে বলার পরে তারা কোন কর্ণপাত করছে না। যার কারণে সড়কের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে না। দোকানপাট উচ্ছেদ না হলে সড়কটি সোজা না হয়ে বাঁকা হয়ে যাবে এবং সরু হয়ে যাবে। ইতিমধ্যে তাদেরকে নোটিশ দেয়া হয়েছে।

Leave a Reply