শিরোনাম
জমকালো আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো জাগ্রত ওকে আইকনিক এওয়ার্ড ২০২৬ গাজীপুরে বিদেশি পিস্তলসহ যুবক আটক সম্মিলিত সাংবাদিক পরিষদের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার মাজারে পুষ্পাঞ্জলি ঘিওরে স্বপ্নসিড়ি শিক্ষালয় এর বার্ষিক ক্রীড়া ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বুড়িচংয়ে বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে তুচ্ছ ঘটনায় অন্তঃসত্ত্বা খুন কুমিল্লায় কৃষিজমি থেকে মাটি কাটায় ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা কুমিল্লায় স্বতন্ত্র-প্রার্থী হাজী ইয়াসিনকে হতাশ করলেন বেগম রাবেয়া চৌধুরী বন্দরটিলা জেলে পাড়ায় জামায়াতের উদ্যোগে শীতার্তদের মাঝে কম্বল বিতরণ হাদী হত্যার বিচারের দাবীতে অবস্থান কর্মসূচিতে লাঠিচার্জের অভিযোগ ইরানের চলমান অস্থিরতার নেপথ্যে কারা, বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল নিয়ে যা বললেন প্রাথমিকের ডিজি

Chif Editor

প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত চাকরিপ্রার্থীদের অভিযোগ তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে বলে জানিয়েছেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান।

রোববার (১১ জানুয়ারি) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রাথমিকের ডিজি বলেন, পরীক্ষা শুরুর আগ পর্যন্ত ডিজিএফআই, এনএসআই, ডিবি, এসবি ও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে প্রশ্নগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল, সেগুলোর সঙ্গে আমাদের পরীক্ষার প্রশ্নের কোনো মিল পাওয়া যায়নি। তবে প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছে—এটা অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে। এটি প্রশ্নফাঁস নয়। এই অপরাধে ২০৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজাও দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা বাতিলের দাবির বিষয়ে আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, চাকরিপ্রার্থীরা আমাদের কাছে পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। আমরা তাদের দাবির প্রতি সম্মান জানিয়ে বিষয়টি তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরীক্ষা বাতিল করা হবে। এর আগেও আমরা দুটি পরীক্ষা বাতিল করেছি।

এর আগে রোববার সকাল ১১টার দিকে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকের সামনে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেন একদল চাকরিপ্রার্থী। এ সময় তাঁরা পরীক্ষায় অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ তুলে নানা স্লোগান দেন।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলো হলো—

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে।

সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার স্থাপন করতে হবে।

স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তাদের আওতায় সব পরীক্ষা আয়োজন করতে হবে; একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।

যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিগত বছরে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ রয়েছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না।

প্রশ্নফাঁস প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে।

Leave a Reply