
স্টাফ রিপোর্টার – (সিরিজ রিপোর্ট-০৪) :- গত কয়েকদিন আগে কুমিল্লা জেলা, লালমাই উপজেলা, বাগমারা – হলদিয়া গ্রামের আবুল মিয়ার দোকান সংলগ্ন পুকুরের সাইট ওয়াল নির্মাণকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ সৃষ্টি হয় এলাকাবাসীদের মাঝে। কারন ছিল হলদিয়া গ্রামের প্রধান সড়কের রাস্তার কাজ না করে লালমাই উপজেলার আওয়ামীলীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা আক্তার ও তার স্বামী লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবু তাহের রনি”র বাড়ির সামনের সড়ক পাকা থাকা সত্ত্বেও বাড়ির পিছনের ৪/৫ টি পরিবারের রাস্তা প্রয়োজন বলে আবেদন করলে, লালমাই উপজেলা ইউএনও উম্মে তাহমিনা মিতু পিও বাজেট থেকে দুই লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেন। এ কাজে ভূলইন উত্তর ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ড মেম্বার আওয়ামী-লীগের দোসর হাবিবুর রহমান ও এমরান হোসেন চেয়ারম্যান সহযোগীতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
উক্ত রাস্তার কাজ শুরু হলে, স্থানীয়দের সাথে আওয়ামী-লীগের দোসর হাবিবুর রহমান মেম্বার ও উপজেলার আওয়ামীলীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা আক্তারের স্বামী আবু তাহের রনি”র বিরোধ সৃষ্টি হয়। পরে উক্ত বিষয়ে বাগমারা বাজারে মেম্বার হাবিবুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্থানীয়দেরসহ সাংবাদিকদেরকে অশ্নীল ভাষায় গালাগাল দিলে মিডিয়া পাড়ায় এ বিষয়য় নিয়ে সমালোচনা সৃষ্টি হয়।
আওয়ামী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের বাড়ির রাস্তা নিমার্ণের কাজে স্থানীয়দের বাধা এলাকা ছাড়া দুই সাংবাদিক
উক্ত বিষয় ধামাচাপা দিতে উপজেলার আওয়ামীলীগের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহামুদা আক্তার ও তার স্বামী লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আবু তাহের রনি”র বাঁচাতে কয়েকজন স্থানীয় নেতারা, কতেক সাংবাদিক ও হাবীবুর রহমান মেম্বার সহ এমরান হোসেন চেয়ারম্যান এক বৈঠকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা দিয়ে সকলকে শপথ করান দু”জনকে রক্ষা করার। কোন পত্র-পত্রিকায় কোন সংবাদ প্রকাশ না করার জন্যও এক সাংবাদিককে ঠিকাদারি দেন।
সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাবীবুর রহমান মেম্বার ও এমরান হোসেন চেয়ারম্যান দুই আওয়ামী দোসর স্বামী ও স্ত্রী”কে বাঁচানোর জন্য স্থানীয় কয়েক বিএনপির নেতাদেরকেও ম্যানেজ করার দায়িত্ব দিয়েছেন কথিত সাংবাদিককে।


