শিরোনাম
পুকুর ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে জরিমানা,৭ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ-চেক বাণিজ্যের অভিযোগ-চার ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা বাঁচাতে তৎপর তেলবাজ সাংবাদিক চক্র!

Mehraz Rabbi

মেহরাজ রাব্বি।। বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগ চাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা, হিসাব শাখা ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমের দিকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রকল্পকে ঘিরে চেক হস্তান্তর, ক্ষমতার্পণ ও বিল পরিশোধে ভয়াবহ অনিয়ম আড়াল করতেই সুনাম নষ্টের ষড়যন্ত্র নাটক সাজানো হচ্ছে।সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের উপখাত এ ব্লকের এসি কেবিন সংস্কার কাজটি বাস্তবে সম্পাদন করেছেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। অথচ কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয়েছে মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে, যার প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন বর্তমানে পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি,এমন তথ্যও রয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রোপাইটর পলাতক থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনকভাবে তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে সেই চেক ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়,যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো,চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল, কীভাবে লেনদেন হলো,এসব বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে উল্টো অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কিছু তেলবাজ সাংবাদিক ও অনলাইন পোর্টালকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম ধামাচাপা থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবি,হিসাব রক্ষক রুপক নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমএবং সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।তারা সবাই ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং এখনো সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে মরিয়া অভিযোগকারীদের মতে, দুর্নীতি প্রকাশ হয়ে পড়ায় এখন উল্টো ঠিকাদার লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে,যা প্রকৃত সত্য আড়াল করার একটি কৌশল মাত্র।

প্রশ্ন রয়ে যায়,পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়?প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়?সাংবাদিকদের একাংশ কেন একতরফা হয়ে গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াল?সচেতন মহলের মতে,নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা সামনে আসবেই।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরো চমক…

Leave a Reply