শিরোনাম
পুকুর ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে জরিমানা,৭ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

মিঠাপুকুরে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে প্রাইভেট শিক্ষক আটক: বিয়ের প্রলোভনে ‘টাইম পাস’ করার স্বীকারোক্তি

Chif Editor

শিল্পী আক্তার, রংপুর ব্যুরো :- রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার বৈরাতী হাট এলাকায় এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘ সাত মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব মিয়া (২৫) নামে এক প্রাইভেট শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা। অভিযুক্ত রাকিব উপজেলার ইমাদপুর ইউনিয়নের বানিয়ারজান গ্রামের রুশু মিয়ার ছেলে। গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে তাকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়।

অভিযুক্ত রাকিব মিয়া “চ্যালেঞ্জ কোচিং সেন্টার” নামে একটি অস্থায়ী কক্ষে প্রায় ৩৫ জন শিক্ষার্থীকে প্রাইভেট পড়াতেন। ভুক্তভোগী দশম শ্রেণীর ওই ছাত্রীর অভিযোগ, গত সাত মাস ধরে শিক্ষক রাকিব বাকি শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে তাকে আটকে রাখতেন এবং ইচ্ছার বিরুদ্ধে লিপ্ত হতেন। ভুক্তভোগী কিশোরী জানায়, স্যার আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে মুখ বন্ধ রাখতে বাধ্য করেছিলেন। গত সাত মাস ধরে তিনি আমাকে লালসার পণ্য বানিয়ে রেখেছেন।

মঙ্গলবার (১৪ জানুয়ারি) বিষয়টি জানাজানি হলে ছাত্রীর পরিবার সত্যতা যাচাই করতে কোচিং সেন্টারে যায়। বিষয়টি বুঝতে পেরে রাকিব পালিয়ে গেলেও বুধবার রাতে স্থানীয় মাতব্বরদের উপস্থিতিতে একটি ঘরোয়া বৈঠক বসে। সেখানে উপস্থিত সবার সামনে রাকিব ওই ছাত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন, তবে ধৃষ্টতা দেখিয়ে একে কেবলই “টাইম পাস” হিসেবে অভিহিত করেন। এতে উপস্থিত জনতা ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে ধরে পুলিশে দেয়। স্থানীয়দের দাবি, শিক্ষক পরিচয়ের আড়ালে রাকিব একজন অভ্যাসগত নারী নিপীড়নকারী। এর আগেও তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা হয়েছে, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। উল্লেখ্য, অভিযুক্তের বাবাও একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক।

মিঠাপুকুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুরুজ্জামান জানান, অভিযুক্ত শিক্ষক বর্তমানে থানা হেফাজতে আছেন। ভুক্তভোগী কিশোরীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (OCC) পাঠানো হয়েছে।  এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

Leave a Reply