ফটিকছড়িতে প্রকল্পের অর্থ আত্মসাৎ: সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ ৮ জন কারাগারে

Chif Editor

ফটিকছড়ি প্রতিনিধি:- চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় নারায়ণহাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও ধানের শীষ প্রতীকের সম্ভাব্য প্রার্থী সরোয়ার আলমগীরের নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত নাগরিক পরিষদের সেক্রেটারি আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

২১ জানুয়ারি বুধবার চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ দেন।এদিন মামলার প্রথম ধার্য তারিখে আসামিরা স্বেচ্ছায় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। পরে মামলার অভিযোগ, আর্থিক অনিয়মের পরিমাণ ও মামলার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্পেশাল জজ মিজানুর রহমান তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন এবং জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। আসামিদের মধ্যে একজন নারী রয়েছেন বলেও আদালত সূত্র নিশ্চিত করেছে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, স্পেশাল মামলা নম্বর ২৯/২০২৫-এর আওতায় দায়ের করা এই মামলাটি ২০১৯ সালে সংঘটিত একটি উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ আত্মসাত সংক্রান্ত। অভিযোগ রয়েছে, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়নের নামে সরকারি বরাদ্দের একটি বড় অংশ আত্মসাৎ করা হয়। তদন্ত শেষে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় মামলাটি বিচারের জন্য আদালতে গৃহীত হয়।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট কবির হুসাইন সাংবাদিকদের জানান, “২০১৯ সালে সংঘটিত প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক চেয়ারম্যান আবু জাফর মাহমুদ চৌধুরীসহ আট আসামি আজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।”

তিনি আরও বলেন, মামলার অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর এবং এতে সরকারি অর্থের অপব্যবহার ও আত্মসাতের বিষয়টি উঠে এসেছে, যা জনস্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।
এই মামলার রায়ের খবরে ফটিকছড়ি উপজেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিলেন স্থানীয়রা।
উল্লেখ্য, মামলাটির পরবর্তী শুনানির তারিখ পরে নির্ধারণ করা হবে বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে।

Leave a Reply