শিরোনাম
হাদি হত্যার দায় স্বীকার করলো রুবেল তারা বলছে আজাদী, আমি বলবো গোলামী : জিএম কাদের নারায়ণগঞ্জ -৩ আসন থেকে সুপরিকল্পিত এক আধুনিক গড়ে তুলতে চানঃ আজহারুল ইসলাম মান্নান ঢাকা-৩ আসনে আগানগর ইউনিয়নে ধানের শীষের পক্ষে লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেন: আয়নাল দীর্ঘ ১৭ বছরের ভঙ্গুর অবস্থা থেকে বিএনপিই পারে দেশকে বাঁচাতে পুতুল যারা স্বাধীনতা বিরোধী তাদের কাছে দেশ নিরাপদ না – মির্জা ফখরুল ভাষার মাস শুরু নারায়ণগঞ্জ এ প্লেটে টাকা দিয়ে ভোটারদের খেজুর গাছে ভোট পার্থনা নাটকীয়তার পর নারায়ণগঞ্জ, ৩ সোনারগাঁও সিদ্ধিরগঞ্জ আসনে নির্বাচন করতে যাচ্ছেন জামায়াতের: ইকবাল হোসেন ভূইয়া জামায়াত আমিরের টুইট ঘিরে বিতর্ক, নারীদের ‘বেশ্যা’ বলার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া

জামায়াত আমিরের টুইট ঘিরে বিতর্ক, নারীদের ‘বেশ্যা’ বলার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান–এর নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ প্রকাশিত একটি পোস্টকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গত ৩১ জানুয়ারি বিকেল আনুমানিক ৪টার দিকে তার ভেরিফায়েড একাউন্ট থেকে নারীদের ভূমিকা, নেতৃত্ব এবং আধুনিক সমাজব্যবস্থা নিয়ে একটি মন্তব্য প্রকাশিত হয়।

ওই পোস্টে নারীদের নেতৃত্বকে সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করার পাশাপাশি বলা হয়, আধুনিকতার নামে নারীদের ঘরের বাইরে বের করে দেওয়া হলে তারা শোষণ, নিরাপত্তাহীনতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের মুখে পড়ে। পোস্টের একাংশে এ ধরনের পরিস্থিতিকে “পতিতাবৃত্তির আরেকটি রূপ” হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এই বক্তব্যকে ঘিরেই সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। সমালোচকদের মতে, এই মন্তব্যের মাধ্যমে কর্মজীবী ও স্বাধীনভাবে চলাফেরা করা নারীদের পরোক্ষভাবে ‘বেশ্যা’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যা চরম নারী অবমাননাকর ও বিদ্বেষপূর্ণ।

পোস্টটি প্রকাশের কিছু সময়ের মধ্যেই তা মুছে ফেলা হয় এবং বিকেল ৫টার কিছু পরে সংশ্লিষ্ট একাউন্ট পুনরুদ্ধার করা হয়। এরপর জামায়াত আমিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তার এক্স একাউন্ট হ্যাকড হয়েছিল এবং এ বিষয়ে তিনি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

তবে হ্যাকিংয়ের এই দাবিও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। প্রযুক্তি সংশ্লিষ্টদের মতে, সাধারণত এক্স একাউন্ট অফিসিয়ালি রিকভার করতে কমপক্ষে ২৪ ঘণ্টা সময় লাগে। সেখানে মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যে একাউন্ট পুনরুদ্ধার হওয়াকে অনেকেই সন্দেহজনক বলে মনে করছেন।

ঘটনাটি রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি সামাজিক ও নাগরিক মহলেও আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই নারীর মর্যাদা, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায়িত্বশীল বক্তব্যের বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

Leave a Reply