নেতাকর্মীদের বাড়িঘরে হামলার অভিযোগ পরাজিত বিএনপি প্রার্থীর

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- নির্বাচনের পর চট্টগ্রাম–১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া আংশিক) আসনের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের বাড়িঘর এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এসব ঘটনায় লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অপসারণ দাবি করেছেন আসনটির বিএনপির পরাজিত প্রার্থী নাজমুল মোস্তফা আমিন।

রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রাতে লোহাগাড়া উপজেলা সদরের একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, নির্বাচনের পর সাতকানিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিএনপির সাধারণ কর্মী ও সমর্থকদের অন্তত ২০টির বেশি বাড়িতে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

হামলার সময় ঘরবাড়িতে ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। এতে দলটির অন্তত ২৫ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক আহত হয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। বিএনপি সবসময় শান্তি ও গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। আমরা মিলেমিশে থাকার চেষ্টা করেছি।
কিন্তু জামায়াতের সন্ত্রাসীরা যেভাবে প্রতিদিন আমাদের নিরীহ নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে, তা মেনে নেওয়া যায় না।নির্বাচন নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে নাজমুল মোস্তফা আমিন বলেন, ভোটের দিন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারী দিয়ে জাল ভোট প্রদান করে বিএনপির বিজয় ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তার অভিযোগ, লোহাগাড়ার ইউএনও একজন সরকারি কর্মকর্তা হয়েও দলীয় কর্মীর মতো আচরণ করেছেন। ভোটগ্রহণে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তাদের মধ্যেও জামায়াত-সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মীরা ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।

তারা নির্দিষ্ট প্রার্থীর বিজয়ে সহযোগিতা করেছেন বলেও অভিযোগ তোলেন। তিনি আরও বলেন, ভোটের দিন কেন্দ্রে অহেতুক লাঠিপেটা করে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়। এতে অনেক সাধারণ ভোটার ভোটকেন্দ্রে গিয়েও ভোট না দিয়ে ফিরে আসেন। তিনি লোহাগাড়ার ইউএনওর দ্রুত অপসারণ দাবি করেন।সংবাদ সম্মেলনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সদস্য ফৌজুল কবির সঞ্চালনা করেন। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আসহাব উদ্দিন চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মহিউদ্দিন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক মজিবুর রহমান।

Leave a Reply