শিরোনাম
প্রকাশ্যে অভিনেত্রী মনিরা মিঠুর ছেলেকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল পুলিশসহ শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ রমজানে নতুন অফিস সূচি, আজ থেকে কার্যকর নাইজেরিয়ায় গ্যাস বিস্ফোরণে ৩৮ শ্রমিক নিহত, আহত ২৭ বিরোধী দলের মন্ত্রিসভার শপথ বর্জন নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে: সুজন শিক্ষাখাতে ৩ অগ্রাধিকার জানালেন শিক্ষামন্ত্রী সময়ের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘণ্টা, তবে কেন ঈদ একদিন পর! বাণিজ্য-জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াবে বাংলাদেশ-নেপাল ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু: তথ্যমন্ত্রী

বিরোধী দলের মন্ত্রিসভার শপথ বর্জন নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে: সুজন

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানানো নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত দিলেও মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জন নতুন শঙ্কার জন্ম দিয়েছে বলে জানিয়েছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ উদ্বেগ প্রকাশ করে। সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের তথ্য তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদারসহ অন্য নেতারা। লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, নির্বাচন ঘিরে শুরুতে জনমনে নানা শঙ্কা ছিল। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছিলেন, নির্ধারিত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ভোট অনুষ্ঠিত হবে কি না। পরে সহিংসতার আশঙ্কাও তৈরি হয়।

তবে শেষ পর্যন্ত অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ায় সে আশঙ্কা কেটে যায়। সুজন জানায়, নির্বাচনে বিজয়ী দলের নেতা পরাজিত দলের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পরাজিত দলও বিজয়ীদের অভিনন্দন জানায়— যা নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইতিবাচক বার্তা দিচ্ছিল।তবে সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ নেওয়া-না নেওয়া ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিজয়ী ও পরাজিতদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১১ দলীয় জোটভুক্ত দলগুলোর মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠান বর্জনের সিদ্ধান্ত নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে বলে মনে করছে সংগঠনটি।

সুজনের প্রত্যাশা, দ্রুত এ সংকটের সমাধান হবে এবং সবাই মিলে গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে। সংগঠনটি আরও জানায়, গণ-অভ্যুত্থানের পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন ঘিরে মানুষের প্রত্যাশা ছিল অনেক। জনগণের আশা— দেশে যেন আর কর্তৃত্ববাদ ফিরে না আসে, ভোটাধিকার নিশ্চিত হয়, গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায় এবং বৈষম্যহীন, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।

Leave a Reply