শিরোনাম
রমজান সামনে রেখে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে কুমিল্লায় প্রশাসনের অভিযান ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীদের মারতে পারবে স্বামী, তবে জখম হলেই পেতে হবে শাস্তি এনআইডি আবেদন নিয়ে ইসির জরুরি নির্দেশনা সমঝোতার ভিত্তিতে নির্বাচন হয় না, হয় সিলেকশন: পাটওয়ারী সাঁথিয়ায় পূর্ববিরোধের জেরে সংঘর্ষ, নিহত ১ লাইভ চলাকালে সরে গেল ‘বিউটি ফিল্টার’ দেড় লাখ অনুসারী হারালেন চীনা ইনফ্লুয়েন্সার প্রকাশ্যে অভিনেত্রী মনিরা মিঠুর ছেলেকে মারধর, ভিডিও ভাইরাল পুলিশসহ শৃঙ্খলা বাহিনীকে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপি বাহারুল স্বেচ্ছায় চলে যাচ্ছেন, আলোচনায় পুনরায় ডিএমপি কমিশনার সাজ্জাদ রমজানে নতুন অফিস সূচি, আজ থেকে কার্যকর

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীদের মারতে পারবে স্বামী, তবে জখম হলেই পেতে হবে শাস্তি

Chif Editor

অনলাইন ডেস্কঃ  আফগানিস্তানের তালেবান সরকার নারীদের বিরুদ্ধে কঠোর বিধান সংবলিত একটি নতুন আইন জারি করেছে। ৯০ পৃষ্ঠার নতুন দণ্ডবিধিতে স্বামীদের তাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেয়ার অনুমোদন দিয়েছে, যতক্ষণ না তাদের হাড় ভাঙে বা ক্ষত তৈরি হয়। তবে মারধরের ফলে ‘হাড় ভেঙে গেলে’ বা ‘জখম হলে’ স্বামীদের শাস্তি পেতে হবে নতুন এই আইনে বলা হয়েছে।

এই আইনে সই করেছেন তালেবানের সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।

আইনে বলা হয়েছে, ‘অশ্লীল বলপ্রয়োগের’ ফলে যদি কোনো নারীর হাড় ভেঙে যায় বা গুরুতর জখম হয়, তাহলে অভিযুক্ত স্বামীকে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে। তবে শাস্তি কার্যকর হবে কেবল তখনই, যখন ভুক্তভোগী নারী আদালতে নির্যাতনের প্রমাণ দিতে সক্ষম হবেন। বিচারকের সামনে তাকে সম্পূর্ণরূপে আবৃত অবস্থায় হাজির হতে হবে এবং তার সঙ্গে স্বামী বা কোনো পুরুষ সহচর থাকতে হবে।

নতুন আইনে আরও উল্লেখ রয়েছে, কোনো বিবাহিত নারী যদি স্বামীর অনুমতি ছাড়া আত্মীয়দের সঙ্গে দেখা করেন, তাহলে তাকে সর্বোচ্চ তিন মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হতে পারে।

ভারতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দণ্ডবিধির ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে আফগান সমাজকে চার শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে—উলামা (ধর্মীয় পণ্ডিত), আশরাফ (অভিজাত), মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত। একই অপরাধের ক্ষেত্রে শাস্তি নির্ধারণে অপরাধের ধরন নয়, বরং অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থান বিবেচনা করা হবে। ধর্মীয় পণ্ডিতদের ক্ষেত্রে শাস্তি পরামর্শে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে, অভিজাতদের জন্য সমন ও পরামর্শ, মধ্যবিত্তদের জন্য কারাদণ্ড এবং নিম্নবিত্তদের জন্য কারাদণ্ডের পাশাপাশি শারীরিক শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

গুরুতর অপরাধের ক্ষেত্রে শারীরিক শাস্তি সংশোধনাগারের পরিবর্তে ইসলামী ধর্মগুরুরা কার্যকর করবেন বলেও উল্লেখ রয়েছে। এই নতুন দণ্ডবিধির মাধ্যমে ২০০৯ সালে প্রণীত নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূল আইন বাতিল করা হয়েছে, যা পূর্ববর্তী মার্কিন-সমর্থিত সরকারের আমলে কার্যকর হয়েছিল।

Leave a Reply