শিরোনাম
চলমান মামলার আসামি চক্রের হুমকি-ষড়যন্ত্র অব্যাহত “প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন” নওগাঁয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মানহানিকর ফেসবুক পোস্ট: থানায় অভিযোগ রাউজানে মুজিব হত্যা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার এলএনজি নির্ভরতার ফাঁদে বিদ্যুৎ–জ্বালানি খাত: ঋণ, ভর্তুকি ও অর্থনীতির নীরব বিপর্যয়? যাত্রী ওঠানোর সংঘর্ষে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস ধর্মঘট প্রতিমন্ত্রী সাকিকে নিরাপত্তা দিতে যাওয়ার পথে পুলিশের গাড়ি দুর্ঘটনায় আহত ৮ সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলার বিচার একটি দৃষ্টান্ত হবে: প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে আবার ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল সাতক্ষীরা এবার পাকিস্তান-আফগানিস্তান ‘প্রকাশ্য যুদ্ধ’ যে কারণে ওআইসির বৈঠকে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড দখলের নিন্দা জানালো বাংলাদেশ

যাত্রী ওঠানোর সংঘর্ষে হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে বাস ধর্মঘট

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- যাত্রী ওঠানোর বিষয়ে দুই চালকের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় হবিগঞ্জ-সিলেট রুটে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করেছে পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল আটটার দিকে হবিগঞ্জ থেকে সিলেটগামী একটি বাস শেরপুর এলাকায় পৌঁছালে একজন যাত্রী ওঠানোকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয়। এসময় সিলেট-ঢাকা রুটের হানিফ পরিবহনের এক চালক ওই যাত্রী তুলতে বাধা দেন। তর্কের একপর্যায়ে হবিগঞ্জের বাসের চালক কল্যাণ বাবুকে মারধর করা হয়।

আহতাবস্থায় তাকে সিলেটে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত চালকের শাস্তির দাবিতে হবিগঞ্জ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন ও হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপ যৌথভাবে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে।শুক্রবার বিকেলে হবিগঞ্জ বাস টার্মিনালে দেখা গেছে, শত শত যাত্রী বাসের জন্য অপেক্ষা করছেন। টার্মিনালের ভেতরে ও আশেপাশে ৯৫টি যাত্রীবাহী বাস এলোমেলোভাবে দাঁড়িয়ে আছে।

দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পরও বাস না পাওয়ায় অনেক যাত্রী বিকল্প হিসেবে ছোট যানবাহনে বেশি ভাড়া দিয়ে গন্তব্যে যাচ্ছেন। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের জন্য এই পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়েছে।আজমিরীগঞ্জ থেকে আসা রুবেল মিয়া ও তকলিমা আক্তার দম্পতি জানান, ছোট বাচ্চা নিয়ে মাঝপথে আটকা পড়েছি। বাস বন্ধ থাকায় আমাদের ভোগান্তির শেষ নেই। একই অভিযোগ করেন ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ, যিনি জরুরি কাজে লোক পাঠাতে পারছেন না।

হবিগঞ্জ মোটর মালিক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক আবু মঈন চৌধুরী সোহেল বলেন, আমাদের চালককে অন্যায়ভাবে মারধর করা হয়েছে। এই প্রতিবাদে ধর্মঘট শুরু হয়েছে। সকাল থেকে কোনো বাস ছাড়েনি এবং কোনো বাস প্রবেশও করেনি। বিষয়টি সমাধানের জন্য বৈঠক চলছে।

মোটর মালিক গ্রুপের হিসাব অনুযায়ী, এই রুটে প্রতিদিন গড়ে ৯৫টি বাস চলাচল করে এবং কয়েকশ শ্রমিক এই খাতের সঙ্গে যুক্ত। একদিন বাস চলাচল বন্ধ থাকলে পরিবহন খাতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।

Leave a Reply