শিরোনাম
জাতীয় প্রেসক্লাবে জিয়া শিশু কিশোর মেলার সাধারণ সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতির আহ্বান পুনর্ব্যক্ত রাশিয়া ও আরব আমিরাতের বিকট বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ও বিমানঘাঁটি দুবাইয়ে ফারনেক ভিলেজ লেবার ক্যাম্প পরিদর্শন করলেন উপদেষ্টা রেহান ‘ইকরাকে আত্মহত্যা করতে আমি ট্রিগার করিনি, সে ট্রিগারড হয়েছে’ সাতক্ষীরায় প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির ওপর হামলা, যুবদল নেতাসহ আটক ২ ডায়াবেটিক সমিতি-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে  ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত জাতীয় লিগ ও বেতনের আওতায় আসছেন বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন খেলোয়াড়রা ভীষণ অসুস্থতা সত্ত্বেও শাহিদা রফিকের স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা-কল্যাণ নিশ্চিত করতে চাই: হুমায়ুন কবির

ভীষণ অসুস্থতা সত্ত্বেও শাহিদা রফিকের স্মরণসভায় মির্জা ফখরুল

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আসা বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ ধরা দিলেন এক ভিন্নরূপে। নিজের শারীরিক অসুস্থতা আর প্রিয় সহযোদ্ধাদের হারানোর শূন্যতা নিয়ে প্রকাশ করলেন গভীর আক্ষেপ।

শারীরিক অসুস্থতা আর বয়সের ভারে কিছুটা ক্লান্ত হলেও প্রিয় সহকর্মীর স্মরণে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়লেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নিজের অসুস্থতার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে আজ খুব অসুস্থ।

হয়তো আসতামই না, কিন্তু ড. শাহিদা রফিকের জন্য দোয়া চাইতে আমাকে আসতেই হলো।সোমবার (২ মার্চ) বিকেলে ধানমন্ডিস্থ ইনস্টিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (আইএসটি) অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতি ও বর্তমান শারীরিক অবস্থা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা কিছুটা পুরোনো মানুষ। গণতান্ত্রিক একটা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে, চিন্তার মধ্য দিয়ে আমরা বেড়ে উঠেছি।

আমাদের ধ্যান-ধারণায় সব সময় মানবিক মূল্যবোধ আর গণতন্ত্র ছিল। কিন্তু এখনকার বিশ্ব পরিস্থিতি আর দেশের অস্থিরতা দেখে আমরা কেমন যেন হতাশ হয়ে পড়ছি। চতুর্দিককার অবস্থা দেখে আমরা বড় কষ্টে আছি।ড. শাহিদা রফিকের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি বলেন, তিনি রাজপথে আমার সঙ্গে স্লোগান দিয়েছেন, অসংখ্য মামলার মুখেও দমে যাননি।

আজকে যখন কিছুটা ভালো দিন এসেছে, মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগ ও সুখের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, তখন তিনি আমাদের মাঝে নেই এই কষ্টটা আমাকে পোড়ায়।ইফতারের আগ মুহূর্তে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি সবার কাছে দোয়া চেয়ে বলেন, আমি আর কথা বাড়াতে পারছি না। শরীর সায় দিচ্ছে না। মহান আল্লাহর কাছে শুধু এই প্রার্থনা করি, তিনি যেন আমাদের এই ত্যাগী মানুষদের ভালো রাখেন। ড. শাহিদা রফিককে জান্নাত নসিব করেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইএসটি পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. মো. শাহপুর রফিক মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

Leave a Reply