
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (শিল্পাঞ্চল ও ডিবি) মো. রাসেল আজ সকালে এই গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, পুলিশের অভিযানে হত্যাকাণ্ডের মূল হোতাকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
এর আগে, গত রোববার বিকেলে সীতাকুণ্ড ইকোপার্কের গভীর জঙ্গল থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করেন চন্দ্রনাথ মন্দির সড়কের সংস্কার কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা। ওই রাতেই চমেক হাসপাতালে তার গলায় অস্ত্রোপচার করা হয়েছিল। সোমবার ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) নেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে কয়েক ঘণ্টা লড়ার পর আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়।
চিকিৎসক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শিশুটির শরীরে পাশবিক নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিক পরীক্ষায় শিশুটি ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে, বিশেষ করে উরুর অংশে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাত ছিল।
সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম জানান, গত ১ মার্চ শিশুটির মা বাদী হয়ে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করেছিলেন। শিশুটির মৃত্যুর পর এখন সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে। অজ্ঞাতপরিচয় আসামিদের বিরুদ্ধে করা এই মামলায় এরই মধ্যে মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।



