শিরোনাম
কামারখন্দে ছাত্রদলের উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল রংপুরের গঙ্গাচড়া বাজারে ড্রেন নির্মাণে অনিয়ম”র অভিযোগ  কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন এডভোকেট রেজাউল করিম মিঠু আইনজীবী কালাম হত্যা মামলার আসামি বিপু প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, মামলা প্রত্যাহারের হুমকির অভিযোগ, গ্রেফতারের দাবিতে ক্ষোভ  হরমুজ প্রণালীতে ‌‌‘পাহারা’ বসানোর নির্দেশ ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় তেহরানে স্টেডিয়াম বিধ্বস্তের দাবি দুই ক্রিকেটারকে ফিরিয়ে পাকিস্তানের বিপক্ষে দল ঘোষণা বাংলাদেশের স্কুল-কলেজে চালু হচ্ছে র‍্যাংকিং ব্যবস্থা: শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রকে শক্ত জবাব না দেওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে: ইরানি জেনারেল বাগেরহাটে ব্যাংকের লকার থেকে ২০০ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েবের অভিযোগ

রংপুরের গঙ্গাচড়া বাজারে ড্রেন নির্মাণে অনিয়ম”র অভিযোগ 

Chif Editor

শিল্পী আক্তার, রংপুর ব্যুরো:- রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলা বাজারে চলমান ড্রেন নির্মাণ প্রকল্পে নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহার, সিডিউল অমান্য এবং প্রশাসনের শিথিল তদারকি অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা বলছেন, এভাবে কাজ করলে ড্রেনের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা ভবিষ্যতে প্রশ্নবিদ্ধ হবে। সরজমিনে দেখা গেছে, প্রকল্প শর্ত অনুযায়ী সিলেকশন (২.২ F.M) বালু ব্যবহার বাধ্যতামূলক হলেও স্থানীয় ভিটি বালু ব্যবহার করা হয়েছে।

ড্রেনের উচ্চতা সংক্রান্ত সিডিউল অনুযায়ী, পুরাতন ড্রেন থেকে ১৫ ইঞ্চি উচ্চতা ঢালাই থাকা উচিত কিন্তু দেখা গেছে ১০ ইঞ্চি এবং ঢালাই দিনের বদলে রাতের অন্ধকারে সম্পন্ন করা হয়েছে। ইট বসানোর সময় ১ ইঞ্চি ফাঁকা রাখার নির্দেশ থাকলেও কিছু স্থানে ২-৩ ইঞ্চি ফাঁকা রাখা হয়েছে।উপ-সহকারী প্রকৌশলী কাজের সঠিক তদারকি না করার অভিযোগও উঠেছে।

হাটবাজার কমিটির সাধারণ সম্পাদক ইউনুস আলী বলেন, বাজারের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে। কিন্তু শুরু থেকেই নিম্নমানের বালু ও ইট ব্যবহার করলে ভবিষ্যতে সমস্যা দেখা দেবে। আমরা চাই, দ্রুত সঠিক মান বজায় রেখে কাজ শেষ হোক।

ঠিকাদারের সহকারী বাবু মিয়া বলেন, অল্প ইটের কারণে ইটের ভাটায় না গিয়ে নিম্নমানের ইট দিয়ে কাজ করেছি। মিস্ত্রি মনিরও জানিয়েছেন, কোথাও ১০ ইঞ্চি, কোথাও ১১ ইঞ্চি ঢালাই হয়েছে।

উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহীন আলম বলেন, বালুটা উনিশ-বিশ হয়ে গেছে, আমি নিম্নমানের ইট ব্যবহার করতে নিষেধ করেছি, কিন্তু মিস্ত্রি তা ব্যবহার করেছেন। রাতের ঢালাই হয়েছে ওয়ার্ক এসিস্ট্যান্টের তত্ত্বাবধানে কোন সমস্যা নাই। তখন ঠিকাদারের ফোন নাম্বার চাইলে, তিনি অন্য একজনের নাম্বার দেয়।

কিছুক্ষণ পরে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে মনির নামে একজন এসে সাংবাদিককে টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেয় , যা প্রকল্পের স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার জন্য বড় উদ্বেগের।
এদিকে, এম.এম. ট্রেডার্সের ঠিকাদার মিজানুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া গেছে।

উপজেলা প্রকৌশলী ওবায়দুল রহমান জানান, কাজে অনিয়ম ধরা পড়লে ঢালাই ভেঙে সিডিউল অনুযায়ী পুনরায় কাজ করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার বলেন, কাজে অনিয়ম ধরা পড়লে তদন্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply