
সোমবার (৯ মার্চ) বিকেলে সিংড়া থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ভুক্তভোগী ফটিক আলী (৫৫) বাড়ি উপজেলার ইটালী ইউনিয়নে।
এর আগে রোববার তাকে তুলে নিয়ে হাত ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
থানা-পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফটিক আলীর এক ছেলে ও এক মেয়ে। প্রায় দুই মাস আগে তার মেয়ের (২৩) স্বামী মারা যান। এর পর থেকে তিনি বাবার বাড়িতে বসবাস করছেন। স্থানীয় আয়ুব আলীর ছেলে ইমান আলী (২০) তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। মেয়েটি তাতে রাজি হননি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ইমান আলী ও তার কয়েকজন বন্ধু রাস্তাঘাটে প্রায়ই ওই মেয়েকে উত্ত্যক্ত করতেন। জোর করে তুলে নিয়ে তাকে বিয়ে করার হুমকি দিতেন। ফটিক আলী বিষয়টি ইমান আলীর পরিবারকে জানান। এতে ইমান আলী আরও ক্ষুব্ধ হন।
ভুক্তভোগী ওই তরুণী (২৩) জানান, তার স্বামী ঢাকায় থাকতেন এবং তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। প্রায় দুই মাস আগে তার স্বামী মারা যান। এরপর থেকে ইমান তাকে প্রায়ই উত্যক্ত করত এবং জোর করে বিয়ে করার পাশাপাশি তুলে নেওয়ার হুমকি দিত। বিষয়টি তিনি তার পরিবারকে জানালে দুই পরিবারের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। পরে তার বাবা বিষয়টি নিষেধ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন তিনি।
মেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধর, ১৩ দিন পর মৃত্যুমেয়েকে উত্যক্তের প্রতিবাদ করায় বাবাকে মারধর, ১৩ দিন পর মৃত্যু ওই ঘটনার পর অভিযুক্ত ইমান আলী ও তার বন্ধুরা গা–ঢাকা দেওয়ায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। ইমান আলীর ব্যবহৃত নাম্বারে ফোন করা হলেও সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
সিংড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক কর্মকর্তা সাদিয়া সুলতানা জানান, ফটিক আলীর শরীরে বেশ কিছু আঘাত রয়েছে। ছবি তুলে দেখা যায় তার ডান হাত ভেঙে গেছে। তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।



