
অপরাধ বয়স আসামিদের নাশকতা প্রায় ১ যুগ ছুঁই ছুঁই থেমে নাই অপরাধ আর কোথায় থামবে অপরাধ, আসামি সহ আসামি পক্ষের লোক দের নামে কুমিল্লা সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে জি আর মামলা, সি আর মামলা চলমান। কীভাবে পায় তারা এত খুঁটির জোর? প্রকাশ্যে দিনে দুপুরে বিভিন্ন ছদ্মবেশে, বিভিন্ন ভাবে তাদের লোকজন নাম্বার প্লেট বিহীন মোটরসাইকেল, দুই দুই জন করে বসা, মুখে কালো মাস্ক, লাল। কালো হ্যালমেট, সহ বিভিন্ন বয়সি ভাড়া করা বখাটে, ছিনতাইকারী চক্র সহ কিছু কতেক মহিলা মেয়ে সহ সংঘবদ্ধ উক্ত চক্রটি করে আসছে মূল আসামি মাস্টার মাইন্ড আদেশের হুকুমে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র, নাশকতা ও মব। তাদের অনেকের নামে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় একাধিক মামলা ও ছোটরা ইংরেজ কবরস্থান সংলগ্ন ম্যাজিস্ট্রেট বাসায় মোটর বাইক, প্রাইভেট কার দিয়ে লুট, ডাকাতি, ব্ল্যাকমেইলিং, তথ্য বিভ্রান্তি, গুপ্তচর মুলক গুপ্ত নাশকতার হোতাদের আদেশে করছে অপরাধ এমন বিভিন্ন অভিযোগ তারা অভিযুক্ত কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা পুলিশ জানায়। এছাড়াও তারা বিভিন্ন সময়ে চক্রটি বিভিন্ন জাল জালিয়াতি, প্রশাসন ছদ্মবেশ ধারণ করে সাধারণ মানুষকে কিডন্যাপ ও জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায় করার অপরাধ ভুয়া প্রশাসনের লোক সেজে কুমিল্লার অনেক জায়গায় থানা পুলিশ, র্যাব ও ডিবি হাতে তারা সকল সরঞ্জাম পত্র, গাড়ি নিয়েও জ্যাকেট ও হ্যান্ডকাফ নিয়ে গ্রেপ্তার হয় বলে ডিবি পুলিশ ও র্যাব সুত্রেও জানা যায় ও কুমিল্লার বিভিন্ন পত্রিকাতে প্রকাশ হয়। কুমিল্লায় দায়ের হওয়া একাধিক জি আর মামলা চলমান থাকলেও অভিযুক্তদের ধারাবাহিক অপরাধ, হুমকি ও ষড়যন্ত্র থামছে না-এমন অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র। তিনি দাবি করেছেন, আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ ও একাধিক দফায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত নিরাপত্তা ও প্রতিকার মিলছে না।
কুমিল্লা নগরীর ৪ নম্বর ওয়ার্ড ইসলামপুরের বাসিন্দা পেশাজীবী ও সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহ শুভ্র জানান, তার দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত ও অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, চাঁদাবাজি, মাদকসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলার এফআইআর নম্বর ৪১ (জি আর ৮৫০, তারিখ: ১৪.১১.২০২৪) এবং অপর একটি দস্যুতা মামলার এফআইআর নম্বর ৫১ (জি আর ৮১২, তারিখ: ১৬.১০.২০২৫) তদন্তাধীন রয়েছে।
তিনি অভিযোগ করেন, ২০১৭ সালের ৩ মে থেকে শুরু করে ২০২৬ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত একাধিক জিডি করেছেন। পেশাগত কাজে বাধা, চাঁদা দাবি, হামলা, অস্ত্র প্রদর্শন ও প্রকাশ্যে মারধরের মতো ঘটনার শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এমনকি মোটরসাইকেলে হেলমেটধারী দুর্বৃত্তরা পথরোধ করে তাকে আহত করে ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়-এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে বলেও জানান।
ভুক্তভোগীর দাবি, গ্রেপ্তার হওয়া দু’জন আসামির পরও অপরাধচক্রের সহযোগীরা বিভিন্নভাবে মামলা প্রত্যাহারের চাপ সৃষ্টি করছে এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ছদ্মবেশী পেশাদার অপরাধী চক্র নিজেদেরকে প্রশাসনের লোক, পদ পরিচয়, বিভিন্ন ধরনের ধারাবাহিক অপরাধ সংঘটিত করা সহ নাশকতা মুলক তথ্য বিভ্রান্তি, ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখে নিয়মিত অপরাধ সংঘটিত করা সব এক ধরনের মব করে আসছে। এই বিষয়ে সুনির্দিষ্ট ভাবে সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার নিমিত্তে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা বিশেষ সকল ধরনের নাশকতামূলক অপপ্রচার, তথ্য বিভ্রান্তি এবং চক্রান্ত নিরসনের জন্য ভবিষ্যতে নিরাপত্তা চেয়ে অনলাইন জি ডি রেকর্ড ভুক্ত করা হয়। যাহার নাম্বার -২৬৷ তারিখ :-০১.০৩.২০২৬ ইং। উক্ত বিষয়ক উল্লেখ করে অজ্ঞাত নামা ছদ্মবেশ অপরাধ সংঘটিত করে আসামি চক্রের যারা বিভিন্ন সময়ে সংগঠিতভাবে বিভিন্ন অপরাধ প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে বিভিন্ন হয়রানিমূলক ষড়যন্ত্র বিভিন্ন লোকমারফত পরে আসছে, যাহা প্রমাণিত হয়। উক্ত সকল অপরাধী চক্রদের বেআইনিভাবে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত বন্ধ করন এবং বিভিন্ন অপ্রাসঙ্গিক নাশকতা মুলক বিভ্রান্তি করে অনৈতিক উদ্দেশ্যে টাকা ফাঁদে ফেলে দাবি করা বন্ধ করন সহ দ্রুত জি আর মামলা/ ব্যক্তির অভিযোগ, রাষ্ট্র বাদী মামলার উক্ত বিরোধিতা কারী এক্তিয়ার বিহীন প্রতারক চক্রকে বিচারের আওতায় শাস্তি দাবি জানিয়ে নিজ ও নিজ পরিবার জান মাল প্রাণ ও সুনাম সুখ্যাতি নষ্ট প্রতিরোধ সহ সকল অপরাধের ঘটনা পুলিশ প্রশাসন মাধ্যমে তদন্ত চক্রটিকে
গ্রেপ্তারের জোরালো দাবি জানিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের বরাবরে স্মারকলিপি, যাহা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের রিসিভড ডকেট নাম্বার-৩৪৩৯( ই-তথ্য কেন্দ্র),তারিখ :-০১.০৩.২০২৬ ইং। সহ কুমিল্লা পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত স্মারক লিপি কপি প্রদান, পুলিশ সুপার কার্যালয় রিসিভড স্মারক সুত্র নাম্বার:- ১৫৭০/ m, তারিখ:-০১.০৩.২০২৬ইং, ( অভিযোগ আমলে নিয়ে প্রতিকার ও সমাধান) সহ মানবাধিকার তিনি কুমিল্লা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থায় লিখিত অভিযোগ ও স্মারকলিপি দিয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে মানবাধিকার কর্মী ও “মানবাধিকার খবর”-এর সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “একজন সাংবাদিক আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরও যদি নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন, তবে তা উদ্বেগজনক। প্রশাসনের উচিত দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।”
অন্যদিকে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানা-এর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, দায়ের করা মামলা ও জিডির ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তিনি বলেন, “আসামিদের অনেকেই স্থান পরিবর্তন করায় গ্রেপ্তারে কিছুটা সময় লাগছে। তবে দ্রুত তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”
এ ঘটনায় স্থানীয় সচেতন মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, আইনের সঠিক প্রয়োগ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বিচার নিশ্চিত হলে নাগরিক নিরাপত্তা ও আইনের প্রতি আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।


