প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ১২, ২০২৬, ২:০৯ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১০, ২০২৬, ৭:৩৩ অপরাহ্ণ
দক্ষিণ আফ্রিকায় চীন-রাশিয়া-ইরানের নৌ মহড়া
অনলাইন ডেস্ক :- ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হস্তক্ষেপ, তাদের প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে স্ত্রীসহ তুলে নেয়া এবং রাশিয়া ও ভেনেজুয়েলার তেলবাহী ট্যাংকার জব্দকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে তীব্র উত্তেজনার মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন উপকূলে শুরু হয়েছে সপ্তাহব্যাপী চীন, রাশিয়া ও ইরানের সম্মিলিত নৌ মহড়া।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) চীনের নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই মহড়াটি ওয়াশিংটনের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা হচ্ছে।অর্থনীনৈতিক জোট ব্রিকসের অধীনে এই মহড়ার আয়োজন করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে, সামুদ্রিক নিরাপত্তা ও জলদস্যুবিরোধী কার্যক্রমের অনুশীলনই এর মূল লক্ষ্য। তবে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া অবস্থানের মুখে এটি বেইজিং, মস্কো ও তেহরানের একটি সমন্বিত সামরিক বার্তা।
আটলান্টিক ও ভারত মহাসাগরের মিলনস্থলে দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমন্স টাউন নৌঘাঁটিতে তিন দেশের শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজগুলো ইতোমধ্যে অবস্থান এক নতুন শক্তির জানান দিচ্ছে।
মহড়ায় অংশ নিচ্ছে চীনের ১৬১ মিটার দীর্ঘ শক্তিশালী ডেস্ট্রয়ার ‘তাংশান’। রাশিয়া পাঠিয়েছে যুদ্ধজাহাজ ‘স্তোইকি’ ও একটি রসদ সরবরাহকারী ট্যাংকার। ২০২৪ সালে ব্রিকস জোটে যোগ দেওয়া ইরানও এই মহড়ায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছে। যদিও দক্ষিণ আফ্রিকা নিজেকে জোটনিরপেক্ষ দাবি করে আসছে, তবে তাদের প্রধান নৌ-ঘাঁটিতে রুশ ও ইরানি জাহাজের সরব উপস্থিতি ভিন্ন বার্তা বহন করে।নির্বাহী আদেশে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ আফ্রিকাকে ‘অশুভ শক্তির সমর্থক’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে দেশটিতে মার্কিন অর্থায়ন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন। বিশেষ করে ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং অতীতে নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত রুশ জাহাজকে অস্ত্র তোলার সুযোগ দেওয়ার অভিযোগে দক্ষিণ আফ্রিকা এখন মার্কিন প্রশাসনের বিশেষ নজরদারিতে রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স
প্রধান সম্পাদক : জুয়েল খন্দকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম রাশেদ হাসান
নির্বাহী সম্পাদক : গাজী ওয়ালিদ আশরাফ সামী
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হট-লাইন নাম্বার : ০১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ০১৯৬৭৯৯৯৭৬৬.
Copyright © 2026 দেশপত্র. All rights reserved.