শিরোনাম
বিক্ষোভের মুখে বাসস কার্যালয় ছাড়লেন এমডি মাহবুব মোর্শেদ ঠাকুরগাঁওয়ে শহীদ দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে  জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জয় ও পলক: চিফ প্রসিকিউটর গাজা যুদ্ধ নিয়ে নীরবতায় সমালোচনার মুখে বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী স্কুলের ছুটি নিয়ে ধোঁয়াশা, যা বলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির সময়সূচিতে পরিবর্তন সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা ‘বিএনপি আগে আমার পদত্যাগ চাইলেও সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে’ অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া ভিসিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী রমজানে নবীজি (সা.) যেসব দোয়া বেশি পড়তেন

১৪ বছর পর পাকিস্তানের মাটিতে বাংলাদেশ বিমানের ফ্লাইট

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে পুনরায় সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হয়েছে ১৪ বছর পর।  শুক্রবার ১৪৯ জন যাত্রী নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকা থেকে করাচির জিন্নাহ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। দীর্ঘ এক যুগের অধিক সময় পর আকাশপথের এই পুনর্মিলন দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ছেড়ে আসা ফ্লাইটটি করাচিতে অবতরণ করার পর সেটিকে ঐতিহ্যবাহী ‘ওয়াটার স্যালুট’ দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। বিমানবন্দরে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে কেক কেটে এই পুনঃযাত্রার উদযাপন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি এবং করাচিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার সাকিব সাদাকাত। অতিথিরা জানান, এই উদ্যোগ কেবল এভিয়েশন খাতের উন্নয়ন নয়, বরং দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটানোর একটি বড় পদক্ষেপ।

প্রাথমিকভাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ঢাকা ও করাচির মধ্যে সপ্তাহে দুটি ফ্লাইট পরিচালনা করার পরিকল্পনা করেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই রুটটি চালু হওয়ায় সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা গেছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরবর্তী ফ্লাইটের টিকিটগুলো এরই মধ্যে দ্রুত বিক্রি হয়ে যাচ্ছে। যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, সরাসরি এই যোগাযোগের ফলে পরিবারিক যাতায়াত, পর্যটন এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে।

অনুষ্ঠানে সিন্ধুর গভর্নর কামরান তেসোরি তার বক্তব্যে বলেন, এই বিমান পরিষেবা চালুর মাধ্যমে দীর্ঘদিনের অনেক ষড়যন্ত্রের অবসান হলো। এর মাধ্যমে বাণিজ্য ও সংস্কৃতির আদান-প্রদান আরও বৃদ্ধি পাবে এবং দু‘দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে।

উপস্থিত অন্যান্য কর্মকর্তারাও আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে সরাসরি যোগাযোগের এই সুফল দুই দেশের সাধারণ মানুষ অচিরেই ভোগ করতে শুরু করবেন।

সূত্র: দ্য হিন্দু

Leave a Reply