
অনলাইন ডেস্ক :- স্বামীর একটি মন্তব্যে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন ভারতের উত্তরপ্রদেশের এক নারী। রাজ্যটির রাজধানী লখনৌয়ে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় পরিবারের সদস্যরা জানান, হাসি-ঠাট্টার মধ্যেই স্বামীর মুখ থেকে বের হওয়া একটি কথা তাকে গভীরভাবে আঘাত করে। পরে আলাদা ঘরে চলে গিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। পুলিশ বলছে, ঘটনাটি পারিবারিক পরিসরেই ঘটে এবং এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।
পুলিশ জানায়, গত বুধবার সন্ধ্যায় তন্নু তার পরিবারসহ আত্মীয়ের বাড়ি সীতাপুর থেকে বাসায় ফেরেন। বাড়িতে ফিরে সবাই একসঙ্গে একটি ঘরে বসে গল্প ও ঠাট্টা করছিলেন। এ সময় রাহুল মজা করে তন্নুকে ‘বানর’ বলে ডাকেন বলে অভিযোগ ওঠে। এতে তিনি মনঃক্ষুণ্ন হয়ে অন্য একটি ঘরে চলে যান।
রাহুল পেশায় একজন অটোচালক। পুলিশকে তিনি জানান, এর আগেও ওই দিন তন্নু, তার বোন অঞ্জলি ও অঞ্জলির ছেলে অভয় একসঙ্গে হাসি-ঠাট্টা করছিলেন। পরে তিনি খাবার আনতে বাইরে যান। কিছুক্ষণ পর ফিরে এসে অঞ্জলিকে তন্নুকে ডাকতে বলেন রাহুল। অঞ্জলি গিয়ে দেখেন, ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ। নাম ধরে ডাকলেও কোনও সাড়া না পেয়ে জানালা দিয়ে তাকিয়ে তিনি দেখেন, তন্নু কাপড় দিয়ে বানানো ফাঁসিতে ঝুলে আছেন। তখন তিনি চিৎকার শুরু করেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রায় চার বছর আগে তন্নু ও রাহুল প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন, যা পরে দুই পরিবারই মেনে নেয়। এই দম্পতির কোনও সন্তান নেই। তন্নুর মডেলিংয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল বলেও পরিবার জানিয়েছে।


