
মার্কিন সাউদার্ন কমান্ড (সাউথকম) জানায়, দুই দেশ ইকুয়েডরে ‘নির্ধারিত সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর’ বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে।
এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলা হয়, ‘এই অভিযান লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের অংশীদারদের নার্কো-সন্ত্রাসবাদের অভিশাপ মোকাবিলার অঙ্গীকারের শক্তিশালী উদাহরণ।’
বিশ্বের সবচেয়ে বড় এবং দ্বিতীয় বৃহত্তম কোকেন উৎপাদক দেশ যথাক্রমে কলম্বিয়া ও পেরুতে উৎপাদিত প্রায় ৭০ শতাংশ মাদক পার্শ্ববর্তী ইকুয়েডরের মধ্য দিয়ে পাচার করা হয়।
মাদক ব্যবসা ঘিরে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর রক্তক্ষয়ী আধিপত্যের লড়াই কয়েক বছরের মধ্যে লাতিন আমেরিকার অন্যতম নিরাপদ দেশকে সবচেয়ে প্রাণঘাতী দেশগুলোর একটিতে পরিণত করেছে।
২০২৩ সালে ডানপন্থী নোবোয়া ক্ষমতায় আসার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইকুয়েডর নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদার করেছে।
ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা দেয়, মান্তা বন্দর নগরীতে অবস্থিত সাবেক মার্কিন ঘাঁটিতে সাময়িকভাবে বিমানবাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হবে।
সুত্র: এবিসি
প্রধান সম্পাদক : জুয়েল খন্দকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম রাশেদ হাসান
নির্বাহী সম্পাদক : গাজী ওয়ালিদ আশরাফ সামী
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হট-লাইন নাম্বার : ০১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ০১৯৬৭৯৯৯৭৬৬.
স্বত্ব © ২০২৬ দেশপত্র