শিরোনাম
ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি ইরানকে তুরস্কের কঠোর সতর্কবার্তা যুক্তরাষ্ট্রকে এমনই বিপদে ফেলেছে ইরান, যা আগে পারেনি কেউ

রমজানে নবীজি (সা.) যেসব দোয়া বেশি পড়তেন

Chif Editor

অনলাইন ডেস্কঃ

মাহে রমজান মুসলিম উম্মাহর জন্য ইবাদত, আত্মশুদ্ধি ও দোয়া কবুলের বিশেষ মাস। হাদিসে এসেছে, এ মাসে আল্লাহ তাআলা অসংখ্য বান্দাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন এবং রোজাদারের দোয়া কবুল করেন। তাই রমজানজুড়ে দোয়া ও জিকিরে অধিক মনোযোগী থাকার তাগিদ দিয়েছেন বিশ্বনবি মুহাম্মদ (সা.)।

ধর্মীয় সূত্রে জানা যায়, রমজান শুরুর আগ থেকেই নবীজি (সা.) প্রস্তুতি নিতেন এবং বিভিন্ন সময় বিশেষ কিছু দোয়া পড়তেন। নিচে তা ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হলো—

রমজান পাওয়ার দোয়া

রজব মাস থেকে তিনি পড়তেন—
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবা ওয়া শাবান, ওয়াবাল্লিগনা রমাদান।
অর্থ: হে আল্লাহ! রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।
(মুসনাদে আহমদ, নাসায়ি)

রমজানের চাঁদ দেখে দোয়া

নতুন চাঁদ দেখলে তিনি পড়তেন—
اللَّهُمَّ أَهِلَّهُ عَلَيْنَا بِالأمْنِ وَالإيمانِ…
অর্থ: হে আল্লাহ! এ চাঁদকে আমাদের ওপর উদিত করুন নিরাপত্তা, ঈমান, শান্তি ও ইসলামের সঙ্গে।
(সুনানে তিরমিজি)

রমজানজুড়ে চারটি আমলের তাগিদ

শাবানের শেষদিনের ভাষণে নবীজি (সা.) চারটি বিষয় বেশি করার নির্দেশ দেন—
১. আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ (তাওহিদের সাক্ষ্য)
২. আস্তাগফিরুল্লাহ (ক্ষমা প্রার্থনা)
৩. আসআলুকাল জান্নাহ (জান্নাত প্রার্থনা)
৪. আউজু বিকা মিনান নার (জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা)
(সহিহ ইবনে খুজাইমা)

রোজার নিয়ত

ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, নিয়ত অন্তরের সংকল্প; মুখে উচ্চারণ আবশ্যক নয়। প্রচলিত আরবি নিয়ত পড়া যায়, তবে নিয়ত না বললেও আন্তরিক সংকল্প থাকলেই রোজা আদায় হয়ে যায়। (ফতোয়া হিন্দিয়া, রদ্দুল মুখতার)

ইফতারের সময়ের দোয়া

ইফতার দোয়া কবুলের অন্যতম সময়। নবীজি (সা.) ইফতারের সময় পড়তেন—
اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনার জন্যই রোজা রেখেছি এবং আপনার দেওয়া রিজিক দিয়ে ইফতার করছি।
(সুনানে আবু দাউদ)

ইফতারের পর তিনি বলতেন—
ذَهَبَ الظَّمَاءُ وَابْتَلَّتِ الْعُرُوقُ وَثَبَتَ الْأَجْرُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ
অর্থ: পিপাসা দূর হলো, শিরা-উপশিরা সিক্ত হলো এবং ইনশাআল্লাহ সওয়াব স্থির হলো।
(সুনানে আবু দাউদ)

অন্যের বাড়িতে ইফতার করলে

اَفْطَرَ عِنْدَكُمُ الصَّائِمُونَ…
অর্থ: রোজাদাররা যেন তোমাদের কাছে ইফতার করে, নেককাররা তোমাদের খাবার খায় এবং ফেরেশতারা তোমাদের জন্য দোয়া করে।
(মুসনাদে আহমদ)

শবে কদরের দোয়া

উম্মুল মুমিনিন আয়েশা (রা.) জানতে চাইলে নবীজি (সা.) শবে কদরে এই দোয়া পড়তে বলেন—
اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ كَرِيمٌ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি মহান ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন—অতএব আমাকে ক্ষমা করুন।
(সুনানে তিরমিজি)

Leave a Reply