
এ আসনে মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন, যার মধ্যে ১০ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
যাদের মনোনয়ন বাতিল হলো তারা হলেন— ১. জিএম রোকনুজ্জামান (গণ অধিকার পরিষদ): তাঁর প্রস্তাবক ভিন্ন এলাকার ভোটার হওয়ায় প্রার্থিতা বাতিল হয়। ২. গোবিন্দ হালদার (স্বতন্ত্র): ভোটারদের স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে বাতিল। ৩. অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল (স্বতন্ত্র): স্বাক্ষর জালিয়াতির অভিযোগে তাঁর মনোনয়নও বাতিল করা হয়।
বৈধ ঘোষিত ১০ প্রার্থী যাচাই-বাছাই শেষে যাদের প্রার্থিতা বহাল রয়েছে তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলনের মো. আবু সাঈদ, বিএনপির আমির এজাজ খান, জামায়াতে ইসলামীর কৃষ্ণ নন্দী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের ফিরোজুল ইসলাম, জেএসডির প্রসেনজিৎ দত্ত, বাংলাদেশ মাইনোরিটি জাতীয় পার্টির প্রবীর গোপাল রায়, বাংলাদেশ সম অধিকার পরিষদের সুব্রত মন্ডল, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টির কিশোর কুমার রায়, জাতীয় পার্টির সুনীল শুভ রায় ও ইসলামী ফ্রন্টের মো. জাহাঙ্গীর হোসেন।



