
অনলাইন ডেস্ক :- ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের উদাহরণ টেনে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন বলেছেন, ‘তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হলফনামায় যে সম্পদের বিবরণ দিয়েছিলেন, বাস্তবে পাওয়া সম্পদের সঙ্গে তার বড় ধরনের ব্যবধান ছিল। সে সময় দুদক ও নির্বাচন কমিশন যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করলে তার প্রার্থিতা বাতিল হওয়ার কথা ছিল।’
অল্প সময়ে প্রার্থীদের হলফনামা গভীরভাবে অনুসন্ধান করা কঠিন বলে উল্লেখ করে আবদুল মোমেন বলেন, ‘হলফনামা যাচাইয়ের জন্য যে সময়টা আমাদের হাতে থাকে, সেই সময়ের মধ্যে অত সূক্ষ্মভাবে কাজ করা সম্ভব হয় না। এ কারণে সাংবাদিকদের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে সাংবাদিকদের আহ্বান জানিয়ে দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কোনো প্রার্থীর হলফনামায় প্রদর্শিত সম্পদ নিয়ে যদি সন্দেহ থাকে, তাহলে তা অনুসন্ধান করে সবার আগে দুদকের কাছে তুলে ধরতে। আপনারাও (সাংবাদিক) অনুসন্ধানকারী। আপনাদের অনুসন্ধান আমাদের কাজকে সহায়তা করবে।’
আবদুল মোমেন আরও বলেন, সবার জন্য সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই কমিশনের প্রত্যাশা। দুর্নীতি দেশের একটি বড় সংকট উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই সংকট নিরসনে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতের শাসকেরা যেন ন্যায়নিষ্ঠ ও সৎ হন, এটাই দুদকের প্রত্যাশা।
র্যাকের সভাপতি শাফি উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক তাবারুল হক। অনুষ্ঠানে আরও ছিলেন দুদক কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ এবং দুদকের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম।



