
প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়, তাদের লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেলেও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি প্রকাশ না করে ছেড়ে দেয়। বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর সমালোচনার মুখে পড়েন এই অভিনেত্রী।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিকমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অভিযোগটি সরাসরি অস্বীকার করেন মেহজাবীন। এ সময় প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন মেহজাবীন।
এবার আরেক পোস্টে অভিনেত্রীর দাবি, তাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, এ কারণে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রী কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানান, প্রথমত, উল্লিখিত কোন ঘটনায় আমাকে কখনোই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি; আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সেরকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনরুপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।
প্রশ্ন রেখে তিনি লেখেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে কিছু অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও বা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?
মানহানি স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে মেহজাবীন লেখেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়।


