শিরোনাম
শতভাগ সঠিক তথ্যেই চট্টগ্রামে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: জেলা প্রশাসক নির্দোষ প্রমাণিত হলে সাকিব-মাশরাফিকে স্বাগত জানাবো: আমিনুল ১৪ মার্চের মধ্যে প্রার্থীদের ব্যয়ের হিসাব দিতে হবে, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের ইসি শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নে জোর দিতে হবে: শ্রমমন্ত্রী বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সুরেশ সাল্লে নতুন আইজিপিকে ব্যাংক ব্যাজ পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনেই গভর্নর পদে পরিবর্তন, আরও অনেক জায়গায় হবে: অর্থমন্ত্রী বিডিআর হত্যাকাণ্ডে আ.লীগের প্রভাবশালীদের যোগসূত্র ছিল: জামায়াত আমির ঠাকুরগাঁওয়ে মিছিলের মুখ ছাত্রদল নেত্রী শিখা, দূঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়নের দাবি তৃণমূলের

অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সুরেশ সাল্লে

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :- শ্রীলঙ্কায় ২০১৯ সালে ‘ইস্টার সানডে’ বোমা হামলার ঘটনায় দেশটির সাবেক গোয়েন্দাপ্রধানকে গ্রেপ্তার করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। ওই ধারাবাহিক হামলায় ২৭৯ জন নিহত হন। সেই ঘটনায় দেশের পর্যটননির্ভর অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে রাজধানীর একটি উপশহর থেকে অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল সুরেশ সাল্লে নামে ওই সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে আটক করা হয়। এক তদন্ত কর্মকর্তা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, ইস্টার সানডে হামলায় ষড়যন্ত্র এবং সহায়তা ও প্ররোচনার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

২০১৯ সালে গোতাবায়া রাজাপাকসে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সাল্লেকে স্টেট ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের (এসআইএস) প্রধান হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়।  সমন্বিত আত্মঘাতী বোমা হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ উঠলেও তা অস্বীকার করেছেন সুরেশ সাল্লে।

২০১৯ সালের ২১ এপ্রিল প্রায় একই সময়ে ছয়টি আত্মঘাতী বোমা হামলা চালানো হয়। এর মধ্যে ইস্টার প্রার্থনায় অংশ নেওয়া লোকজনের ওপর তিনটি গির্জায় এবং প্রাতঃরাশের সময় তিনটি বিলাসবহুল হোটেলের অতিথিদের ওপর হামলা হয়।

এই হামলায় ৪৫ জন বিদেশি নাগরিকসহ মোট ২৭৯ জন নিহত হন। ৫০০ জনের বেশি মানুষ আহত হন। দ্বীপদেশটির গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন খাত মারাত্মক ধাক্কা খায়।

হামলার পরপরই কর্মকর্তারা আত্মঘাতী হামলার জন্য একটি স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে দায়ী করেন, তবে সাল্লের বিরুদ্ধেও হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযোগ ওঠে। ব্রিটিশ সম্প্রচারমাধ্যম ‘চ্যানেল ৪’ ২০২৩ সালে এক প্রতিবেদনে জানায়, সাল্লের সঙ্গে হামলাকারীদের যোগাযোগ ছিল এবং হামলার আগে তাদের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়েছিল।

এক হুইসেলব্লোয়ার ওই নেটওয়ার্ককে জানান, সে বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাজাপাকসের পক্ষে প্রভাব বিস্তারের উদ্দেশ্যে তিনি হামলাটি ঘটতে দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিলেন। হামলার দুই দিন পর রাজাপাকসে তার প্রার্থিতা ঘোষণা করেন এবং সহিংসতা দমন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হন।

Leave a Reply