শিরোনাম
মাগুরা গ্রুপের পক্ষ থেকে ১৫০০ হাজার শীতার্ত পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরন “কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপি প্রার্থীর উঠান বৈঠক, খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা” লালমাইয়ে আর্থিক সুবিধা নিয়ে আওয়ামী দোসর মাহামুদা আক্তার ও স্বামী আবু তাহের রনিকে বাঁচাতে মরিয়া ওরা কারা পাবনার ভাঙ্গুড়ায় কেমিক্যাল মিশ্রিত ভেজাল মধু জব্দ করে জন সন্মুখে ধব্বংস নিখোঁজের ১২ দিন পর মুরাদনগরে অটোচালকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার পাবনার ভাঙ্গুড়ায় সরিষা ক্ষেতে ব্যস্ত মৌচাষিরা, কোটি টাকার মধু উৎপাদনের সম্ভাবনা গঙ্গাচড়ায় গ্রোয়েন বাঁধ-কেটে তিস্তা চর লুটপাট, নদী ও জনপদ ধ্বংসের খেলায় সিন্ডিকেট নোয়াখালীতে ডাকাতির সময় গণধর্ষণ: গ্রেপ্তার ১ চুয়াডাঙ্গায় যৌথবাহিনীর অভিযানে আটক ব্যক্তির মৃত্যুর ঘটনায় আইএসপিআরের বিবৃতি কেন এনসিপি ছাড়লেন, জানালেন তাসনিম জারা

মূল্যায়ন পরীক্ষার  নামে হাজার টাকা ফি আদায়! বিড়ম্বনায় পরিক্ষার্থীরা

Chif Editor

সাইদুল ইসলাম : দোহার প্রতিনিধি (ঢাকা) :

ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩৮ নং চর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরিক্ষার জন্য সার্টিফিকেট ও পরীক্ষার  ফি বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ১০০০( এক হাজার টাকা)। ফি না দিতে পেরে পরীক্ষা  থেকে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন  অনেক গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীরা। মাহমুদপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ঐ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর পরিক্ষার্থী বলেন, আমার কাছে ক্লাস টিচার মনরঞ্জন চক্রবর্তী স্যার সার্টিফিকেট দিতে ও পরীক্ষার  ফি বাবদ ১ হাজার টাকা চেয়েছে। আমি এত টাকা কিভাবে দেব। আর টাকা না দিলে পরীক্ষাও দিতে  পারবোনা।

আফসানার অভিযোগ নিয়ে সরজমিনে হোসেনপুর বিদ্যালয়ে গেলে কথা হয় শ্রেণী শিক্ষক মনরঞ্জন চক্রবর্তীর সাথে। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে তিনি এই টাকা নিয়েছেন। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তার বলেন, আমাদের ইআইএন নাম্বার না থাকায় মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষায়  অংশ নিতে দেই। শেখানে প্রধান শিক্ষকের কাছে আমাদের ১ হাজার টাকা জমা দিতে হয়।

এবিষয়ে মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ৬শ ৫০ টাকা করে নিয়েছি। কি কি খাতে এই টাকা নেয়া হলো এবিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফি ও পরীক্ষার  ফি বাবদ এ টাকা নেয়া হয়েছে। এসময় তিনি কোন প্রকার রশিদ দেখাতে পারেননি। পরে সংবাদটি প্রচার করতে নিষেধ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম করে টাকা লুটপাট করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন কামাল হোসেন।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা পারভিন বলেন, এভাবে টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। যার এই ঘটনার সাথে জড়িত  তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা  থেকে যেন বাদ না পরে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানান, এটি একটি বড় অপরাধ। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত  তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  নেয়া হবে।

Leave a Reply