শিরোনাম
বুড়িচংয়ে র‍্যাব-১১ কর্তৃক পিকআপ ভ্যানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি দিয়ে ব্রিকস ফিল্ড মালিকের কোটি টাকার গাড়ি দাম জানতে তোপের মুখে সাংবাদিকরা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে মৃত্যুর খবর: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আটকে পড়া যাত্রীদের খোঁজে শাহাজালাল বিমানবন্দরে মন্ত্রী জরুরি বৈঠক ডেকেছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ দখল হওয়া সকল নদ-নদী ও খাল পুনরুদ্ধার করা হবে: ভূমি প্রতিমন্ত্রী দেশের স্বার্থে রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হরিপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় এক বৃদ্ধার মৃত্যু নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যা: ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিল সেই নূরা

মূল্যায়ন পরীক্ষার  নামে হাজার টাকা ফি আদায়! বিড়ম্বনায় পরিক্ষার্থীরা

Chif Editor

সাইদুল ইসলাম : দোহার প্রতিনিধি (ঢাকা) :

ঢাকার দোহার উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের ৩৮ নং চর হোসেনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরিক্ষার জন্য সার্টিফিকেট ও পরীক্ষার  ফি বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে ১০০০( এক হাজার টাকা)। ফি না দিতে পেরে পরীক্ষা  থেকে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছেন  অনেক গরিব মেধাবী শিক্ষার্থীরা। মাহমুদপুর আশ্রয়ন প্রকল্পের বাসিন্দা ঐ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর পরিক্ষার্থী বলেন, আমার কাছে ক্লাস টিচার মনরঞ্জন চক্রবর্তী স্যার সার্টিফিকেট দিতে ও পরীক্ষার  ফি বাবদ ১ হাজার টাকা চেয়েছে। আমি এত টাকা কিভাবে দেব। আর টাকা না দিলে পরীক্ষাও দিতে  পারবোনা।

আফসানার অভিযোগ নিয়ে সরজমিনে হোসেনপুর বিদ্যালয়ে গেলে কথা হয় শ্রেণী শিক্ষক মনরঞ্জন চক্রবর্তীর সাথে। তিনি জানান, প্রধান শিক্ষকের নির্দেশে তিনি এই টাকা নিয়েছেন। 

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহমুদা আক্তার বলেন, আমাদের ইআইএন নাম্বার না থাকায় মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষার্থীদের ৩য় প্রান্তিক মূল্যায়ন পরীক্ষায়  অংশ নিতে দেই। শেখানে প্রধান শিক্ষকের কাছে আমাদের ১ হাজার টাকা জমা দিতে হয়।

এবিষয়ে মাহমুদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ৬শ ৫০ টাকা করে নিয়েছি। কি কি খাতে এই টাকা নেয়া হলো এবিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের বিদ্যালয়ের উন্নয়ন ফি ও পরীক্ষার  ফি বাবদ এ টাকা নেয়া হয়েছে। এসময় তিনি কোন প্রকার রশিদ দেখাতে পারেননি। পরে সংবাদটি প্রচার করতে নিষেধ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম করে টাকা লুটপাট করে নিজের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করেন কামাল হোসেন।

এবিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা পারভিন বলেন, এভাবে টাকা নেয়ার কোন বিধান নেই। যার এই ঘটনার সাথে জড়িত  তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। কোন শিক্ষার্থী পরীক্ষা  থেকে যেন বাদ না পরে সে বিষয়েও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম জানান, এটি একটি বড় অপরাধ। যারা এই ঘটনার সাথে জড়িত  তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা  নেয়া হবে।

Leave a Reply