শিরোনাম
ইরানের রাস্তায় খামেনির হাজার হাজার সমর্থক ইরানের সর্বোচ্চ নেতার স্থলাভিষিক্ত হবেন কে? তেল আবিবে ইরানের হামলায় অন্তত ৪০টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত নৈতিক-আন্তর্জাতিক আইন ভেঙে খামেনিকে নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়েছে: পুতিন ইরানের নেতৃত্ব পরিষদে আলিরেজা আরাফি প্রতিশোধ নেওয়া ইরানের ‘দায়িত্ব ও বৈধ অধিকার’: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান খামেনি: ইরানের প্রতিরোধনীতিকে রূপ দিয়েছিলেন যিনি বুড়িচংয়ে র‍্যাব-১১ কর্তৃক পিকআপ ভ্যানে গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক গোমতীর নদীর অবৈধ মাটি দিয়ে ব্রিকস ফিল্ড মালিকের কোটি টাকার গাড়ি দাম জানতে তোপের মুখে সাংবাদিকরা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে ঘিরে মৃত্যুর খবর: আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া

দোহারে ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার

Chif Editor

নাছির উদ্দিন পল্লব

ঢাকার দোহারে অভিযান চালিয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের ৮ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে দোহার থানা পুলিশ। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার বিকালে প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান দোহার সার্কেল এএসপি মো. আশরাফুল আলম।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, দোহার উপজেলার দক্ষিণ দেবীনগরের হানিফ চোকদারের ছেলে সুজন চোকদার (২০), একই এলাকার মো. জাহান আলীর ছেলে পরশ ওরফে জাহিদ বেপারী (২৮), কুলছড়ি গ্রামের দাদন চোকদারের ছেলে রাকিব চোকদার (২০), দক্ষিণ রাধানগরের লিটন শেখের ছেলে ইমন শেখ (২০), একই এলাকার শেখ লাল মিয়ার ছেলে বাচ্চু মিয়া (৩২), বজলু বেপারীর ছেলে শাকিল বেপারী (২০), উত্তর দেবীনগরের মধু বেপারীর ছেলে সুরুজ মিয়া ওরফে সুরু (৩৪), চরকুশাই গ্রামের শামচু চোকদারের ছেলে নাজমুল চোকদার (২৫)।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি জানানো হয়, গত ১৭ নভেম্বর দিবাগত রাতে দোহারের দক্ষিণ রাধানগর গ্রামের মো. ছন্দু মোল্লার বাড়িতে হানা দেয় ডাকাত দল। ডাকাতরা বসতঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে এবং পরিবারের সদস্যদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে স্বর্ণালংকারসহ বিভিন্ন মালামাল নিয়ে যায়। এঘটনায় ১৯ নভেম্বর ছন্দু মোল্লা বাদি হয়ে দোহার থানায় মামলা করেন। মামলার হওয়ার পরই আসামীদের ধরতে মাঠে নামে পুলিশ। ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামানের নির্দেশে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আমিনুল ইসলামের দিক নির্দেশনায় ও দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলমের সরাসরি তত্তাবধানে দোহার থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ নেতৃত্বে এসআই সুলতান মাহমুদসহ দোহার থানা পুলিশের একটি চৌকস টিম তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে ঘটনার সাথে জড়িত ৮ জনকে গ্রেপ্তার করে। তারা প্রাথমিকভাবে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানায় পুলিশ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের সদস্য। উঠতি বয়সের ছেলেদের মাদকাসক্ত করে, পরে মাদকের টাকার জন্য তাদের ডাকাতির কাজে লিপ্ত করে চক্রটি। চক্রটির সদস্যরা বিভিন্ন দলে ভাগ হয়ে ছদ্মবেশে তথ্য সংগ্রহ ও টার্গেট ঠিক করতো। পরে একত্রে ডাকাতি করে সটকে পড়তো তারা।

দোহার সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে প্রেরণ করা হলে একজন স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তি-মূলক জবানবন্দী দেওয়ায় তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকি আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

Leave a Reply