
অনলাইন ডেস্ক :- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দেওয়ার খবর নিয়ে এবার মুখ খুলেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের জানিয়েছেন, এনসিপিকে ১০ আসনে ছাড় দেয়ার খবর ‘কাল্পনিক’ এবং অসত্য।
জামায়াতের সঙ্গে একাধিক দল ও জোট থাকায় ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ডা. তাহের বলেন, আমরা যদি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাই, তাহলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে কোনো অসুবিধা হবে না।
ডা. তাহের আরও অভিযোগ করেন, প্রার্থিতা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বৈষম্য করেছে। একই ধরনের ঘটনায় কোথাও মনোনয়নপত্র গ্রহণ করা হলেও বিভিন্ন জায়গায় দলীয় ডিসিরা জামায়াতের প্রার্থীদের মনোনয়ন বাতিল করেছেন।
তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তিকে অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে নিরপেক্ষতার পরিপন্থি। সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে কেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের প্রস্তাব নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে কমিশন সম্মতি জানিয়েছে।’
এদিন সকালে রাজধানীর বসুন্ধরায় জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের কয়েকজন কূটনীতিকের সঙ্গে দেড় ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আগামী নির্বাচনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
পরে সংবাদ সম্মেলনে ডা. তাহের বলেন, অতীতে দেশে যত রাজনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়েছে, তার মূল কারণ ছিল সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের অভাব। ভবিষ্যতেও যদি কোনো পাতানো নির্বাচন হয়, তাহলে দেশ গভীর সংকটে পড়বে।



