
অনলাইন ডেস্ক :- আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবেন না আলোচিক কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলম। তার মতে, নির্বাচন করে সংসদকে কলুষিত করতে চান না তিনি।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়ের মধ্যে জেলা প্রশাসক ও রিটানিং কর্মকর্তা ফরমটি গ্রহণ না করায় হিরো আলমের নির্বাচনে অংশ নেওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল।
তবে সোমবার (১২ জানুয়ারি) উচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায়ে সেই অনিশ্চয়তা কেটেছে। তবে শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) জানিয়েছেন, তিনি মনোনয়নপত্র জমা দেবেন না, নির্বাচনে অংশ নেবেন না।
আরও কোন কারণ রয়েছে কি-না সে বিষয়ে হিরো আলম বলেন, ‘অনেক কারণ আছে।
শিক্ষাগত যোগ্যতা নেই, সেটা একটা। দ্বিতীয় কারণ, নির্বাচন করতে অনেক টাকা-পয়সা প্রয়োজন। আমার এখন আর এত টাকা-পয়সা নেই। এতদিন যা ছিল, সেগুলো দিয়ে করেছি। তবে নির্বাচন না করলেও আমি সাধারণ জনগণের পাশে থাকব।
’
নির্বাচনে না দাঁড়ানোর তৃতীয় কারণ হিসেবে আলম দায়ী করছেন নির্বাচনের পরিবেশকে। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ নির্বাচনের পরিবেশ কেন যেন ঠাণ্ডা হয়ে গেছে। কয়েকদিন আগেও গরম ছিল। আশা রাখছি নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। যারা নতুন ভোটার হয়েছেন, তারা অনেক বছর ভোট দিতে পারে না। এবার যাকে খুশি তাকে ভোট দেওয়ার সুযোগ তৈরি হবে তাদের, সেই প্রত্যাশা রাখছি।’
এর আগে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হিরো আলম বগুড়া-৪ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই নির্বাচনে তিনি পান ৬৩৮ ভোট এবং মোট প্রদত্ত ভোটের এক অষ্টমাংশ ভোট না পাবার দরুন তার জামানত বাজেয়াপ্ত করা হয়।
একই বছরের জুনে অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ফারুকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা-১৭ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন হিরো আলম। ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীকে পিছনে ফেলে ২য় স্থানে থেকে পরাজিত হন।
সবশেষ ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট সম্মিলিত মহাজোটের প্রার্থী হিসাবে অংশ নেন। এই নির্বাচনে ডাব প্রতীকে বগুড়া-৪ আসন থেকে অংশ নেন ও পরাজিত হন।
