শিরোনাম
বিক্ষোভের মুখে বাসস কার্যালয় ছাড়লেন এমডি মাহবুব মোর্শেদ ঠাকুরগাঁওয়ে শহীদ দিবস উপলক্ষে চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে  জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জয় ও পলক: চিফ প্রসিকিউটর গাজা যুদ্ধ নিয়ে নীরবতায় সমালোচনার মুখে বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনী স্কুলের ছুটি নিয়ে ধোঁয়াশা, যা বলছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানির সময়সূচিতে পরিবর্তন সংসদে গেলেও যা করতে পারবেন না টেকনোক্র্যাট মন্ত্রীরা ‘বিএনপি আগে আমার পদত্যাগ চাইলেও সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি বদলেছে’ অন্তর্বর্তী সরকারের নিয়োগ দেওয়া ভিসিদের ভবিষ্যৎ নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী রমজানে নবীজি (সা.) যেসব দোয়া বেশি পড়তেন

দখলদার, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের বয়কট করুন: সারজিস আলম

Chif Editor

অনলাইন ডেস্ক :-

দখলদার, চাঁদাবাজ ও মাদককারবারিদের সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি বলেন, যারা দিনে মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলে কিন্তু রাতে মাদক ব্যবসার লাভের ভাগ নেয়, তাদের বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দাঁড়াতে হবে।

শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) পঞ্চগড় জেলা চিনিকল মাঠে দশ দলীয় ঐক্য জোট আয়োজিত এক নির্বাচনী প্রচারণা সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি।

সমাবেশে সারজিস আলম বলেন, ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ অতিক্রম করেছি। ২০২৬ সালের নির্বাচন নির্ধারণ করবে আমরা সামনে এগিয়ে যাব, নাকি আবার পেছনের দিকে ফিরে যাব।

তিনি বলেন, এই নির্বাচনই ঠিক করে দেবে—আমরা কি আবার চাঁদাবাজির দিকে ফিরে যাব, নাকি চাঁদাবাজমুক্ত বাংলাদেশ গড়ব। এটি আমাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। 

২০২৬ সালের নির্বাচনকে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে তিনি আরও বলেন, ২৬ সাল থেকে আমরা অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় সামনের দিকে এগিয়ে যাব, নাকি আবারও অতীতের অন্যায়ের পথে ফিরে যাব—এই নির্বাচনই তার ফয়সালা দেবে। 

সমাবেশে তিনি বিভিন্ন স্লোগান তুলে ধরেন, যার মধ্যে ছিল—‘গোলামি না মুক্তি’, ‘বিচার বিচার চাই’, ‘হাদী হত্যার বিচার চাই’, ‘২৪-এর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘ক্ষমতা না জনতা’, ‘দিল্লি না ঢাকা’, ‘আপস না সংগ্রাম’, ‘রক্তের বন্যায় ভেসে যাবে অন্যায়’।

এ সময় সারজিস আলম বলেন, যারা দিনে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নয়নের কথা বলে কিন্তু রাতে চাটুকারদের দিয়ে প্রতিষ্ঠান ধ্বংসের ষড়যন্ত্র করে, যারা নির্বাচনের আগে দুই মাস জনদরদি হয়ে ওঠে আর নির্বাচনের পর চার বছর ১০ মাস খুঁজে পাওয়া যায় না—এমন মানুষদের বিরুদ্ধেও আমাদের লড়াই চালিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, সমাজ ও রাজনীতিকে দুর্নীতিমুক্ত করতে হলে জনগণকেই সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, কিছু মানুষ নিরপেক্ষ প্রশাসনের কথা বললেও রাতের আঁধারে প্রশাসনকে প্রভাবিত করে নিরপরাধ মানুষকে হয়রানি করে। শ্রমিকের সন্তানকে শ্রমিক বানিয়ে রেখে নিজের সন্তানকে বিদেশে পড়াতে পাঠায়—এদের বিরুদ্ধেও আমাদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে। 

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতার পর এই প্রথমবার আমাদের সামনে এমন একটি সুযোগ এসেছে। আগামী ৫০ বছরেও এই সুযোগ আসবে কিনা আমরা জানি না। এই আমানতের যেন খেয়ানত না করি। তেঁতুলিয়া থেকে রূপসা, পাথুরিয়া পর্যন্ত ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটারে একটাই ধ্বনি হবে—১০ দলীয় ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।

Leave a Reply