
অনলাইন ডেস্ক :- নির্বাচনি প্রচারণার সময় ঢাকা-১৮ আসনের জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী এবং এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম ও তার কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলার ঘটনাকে দুঃখজনক হিসেবে বর্ণনা করে সবার গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়েছে। সোমবার (২৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ এ দাবি জানান আরিফুল।
তিনি বলেন, হামলায় নূরপাড়া আলীম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বরকতউল্লাহ, তার বড় ভাই হেদায়েতুল্লাহসহ মোট ১২ জন গুরুতর আহত হন। আহতদের মধ্যে রয়েছেন—বরকতউল্লাহ, হেদায়েতুল্লাহ, আলমগীর হোসেন, রিয়াজুল হোসেন, মাসুম আলম, আজিম হোসেন, ইউনুস মিয়া, শাব্বির ও বাবলু।
সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আরিফুর রহমান তুহিন বলেন, ঢাকা-১৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন। তার নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে জোটের নেতাকর্মীদের নির্বাচনী প্রচারণায় নিয়মিতভাবে বাধা দিয়ে আসছে। গত দুই দিনের মধ্যেই আবদুল্লাহপুরে একজন জামায়াত কর্মীর ওপর হামলা করে গুরুতর আহত করা, খিলক্ষেত বরুয়া এলাকায় নির্বাচনী অফিস উদ্বোধনের সময় মব সৃষ্টি করে বাধা প্রদান, তুরাগের বামনারটেকে নির্বাচনী অফিসের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা এবং নিকুঞ্জ এলাকায় মহিলা জামায়াত কর্মীদের বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়ার মতো একাধিক ঘটনার সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। একইসঙ্গে নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোর আহ্বান জানান।
এ প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্টভাবে দুটি দাবি উত্থাপন করেন—
এছাড়া এ ঘটনার বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে যথাযথ তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশের দাবি জানানো হয়।
তিনি আরও বলেন, ২২ তারিখ প্রচারণা শুরুর পর চারদিনে বিভিন্ন ব্যতিক্রমী কর্মসূচির মাধ্যমে এনসিপি জনমনে জায়গা করে নিচ্ছিল এবং এনসিপির প্রতিটা মিছিল ছোট অবস্থায় শুরু হয়ে গণমিছিলে রূপ নিচ্ছিল। এ অবস্থায় ভীত হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলা করে। তিনি বিএনপির চেয়ারপার্সন তারেক রহমান এবং প্রতিদ্বন্দ্বী এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনকে আহ্বান করেন সহিংসতার রাজনীতি পরিহার করে জনতার কাতারে এসে ভোটের রাজনীতি করতে।



