শিরোনাম
নির্বাচনের আগে রাজধানীতে লোকাল বাস সংকট, চরম ভোগান্তিতে অফিস যাত্রীরা রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) জাপা-এনসিপি মুখোমুখি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী রংপুর বিভাগের বিভিন্ন জেলায় যৌথ বাহিনীর বিশেষ মহড়া ও টহল বোরকা খুলে মহিলাদের ভোট গ্রহণের দাবি বিএনপি প্রার্থীর: আরিফুল জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করার অভিযোগ ভোট চুরি হতে পারে, ফলাফল না নিয়ে ফিরবেন না: ডা. শফিকুর রহমান একাধিক ভোটকেন্দ্রের বুথ কক্ষে অগ্নিসংযোগ রাজশাহীতে বিপুল পরিমাণ ককটেল ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সঙ্গে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ ইসলামী আন্দোলনের সমর্থন পেলেন সারজিস আলম

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) জাপা-এনসিপি মুখোমুখি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী

Chif Editor

শিল্পী আক্তার রংপুর ব্যুরো :- রংপুর—৪ (কাউনিয়া—পীরগাছা) আসনের জাতীয় পার্টির প্রার্থী আবু নাসের মো. মাহবুবার রহমানের গাড়ি আটকে হেনস্তা ও চাবি কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

আজ মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে রংপুর নগরীর সরেয়ার তল বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে ‘দোসর’ স্লোগান দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে পুলিশ ও সেনাবাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

জাতীয় পার্টির প্রার্থী মাহবুবার রহমানের অভিযোগ, পীরগাছা থেকে একটি জানাজায় অংশ নিতে রংপুর নগরীতে যাওয়ার পথে ৭—৮টি মোটরসাইকেলে করে এনসিপি ও জামায়াত নেতাকর্মীরা তাকে ধাওয়া করে। সরেয়ার তল এলাকায় পৌঁছালে তারা গাড়িটি ঘিরে ধরে এবং ‘দোসর, দোসর’ স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে অভিযুক্তরা গাড়ির চাবি কেড়ে নেয় এবং তাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে।

মাহবুবার রহমান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “পরিকল্পিতভাবে মব তৈরি করে আমাকে হেনস্তা করা হয়েছে। তারা মিথ্যা অভিযোগ তুলছে যে আমি ভোটারদের টাকা দিচ্ছি। নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট করতেই এই হামলা।”:

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এনসিপি প্রার্থী আখতার হোসেন। তার দাবি, জাতীয় পার্টির প্রার্থী নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ভোটারদের টাকা দিচ্ছিলেন। সাধারণ মানুষ তাকে আটকে দিলে এনসিপি নেতাকর্মীরা সেখানে যায়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, জাপা প্রার্থী পরে শহর থেকে লোক ভাড়া করে এনে এনসিপি ও জামায়াত কর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর জাতীয় পার্টির নেতাকর্মীরা জড়ো হলে দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া—পাল্টা ধাওয়া ও উত্তেজনা শুরু হয়। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা পারুল ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারি মঞ্জুরুল ইসলামকে উদ্ধার করে মাহিগঞ্জ থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

এদিকে পীরগাছা উপজেলা জামায়াতের আমির বজলুর রশিদ মুকুল এই ঘটনায় তাদের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ততার দাবি অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, কোনো প্রার্থীকে হেনস্তা করার সাথে জামায়াতের কোনো সম্পর্ক নেই।

রংপুর মাহিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাইদুল ইসলাম জানান, দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া—পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পরিস্থিতি শান্ত করেছে। একজনকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। বর্তমানে ওই এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

Leave a Reply