
স্ট্যাটাসে তাসনিম জারা লেখেন, আমরা প্রথম হয়ে শেষ করতে পারিনি, কিন্তু এমন কিছু অর্জন করেছি যা অনেকেই অসম্ভব বলেছিলেন। তিনি দাবি করেন, মাত্র কয়েক সপ্তাহে ৪৪ হাজারের বেশি মানুষ তাদের প্রচারণার পক্ষে দাঁড়িয়েছেন, যেখানে লাউডস্পিকার, পেশিশক্তি বা বিদ্বেষের রাজনীতি ছিল না। আপনারা সম্মান ও সততার মডেল বেছে নিয়েছেন, যোগ করেন তিনি।
জাতীয়ভাবে বিজয়ী দল বিএনপিকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, আমি বিএনপিকে তাদের জাতীয় বিজয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই। ঢাকা-৯ আসনের বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশীদ হাবিবকেও শুভেচ্ছা জানিয়েছি। গতরাতে তাকে ফোন করে অভিনন্দন জানিয়েছি। তিনি বলেন, জনকল্যাণে নেওয়া উদ্যোগে গঠনমূলক সমর্থন এবং জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্তে নীতিনিষ্ঠ বিরোধী কণ্ঠ হিসেবে কথা বলবেন।
নারীদের অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে তাসনিম জারা লেখেন, এ প্রচারণায় নারীদের অংশগ্রহণ ছিল নজিরবিহীন। ‘ক্ষমতার কেন্দ্রগুলোতেও তোমাদের জায়গা আছে’—তরুণীদের উদ্দেশে এ বার্তা দেন তিনি। তার ভাষ্য, এই প্রচারণা দেশের প্রতিটি নারীর নিরাপত্তা, মর্যাদা ও স্বায়ত্তশাসনের লড়াই ছিল।
নির্বাচন শেষে যুক্তরাজ্যে চলে যাওয়ার গুঞ্জন নাকচ করে তাসনিম জারা স্পষ্টভাবে বলেন, আমার শেকড় এখানে, আমার কাজও এখানে। আমি কোথাও যাচ্ছি না। তিনি জানান, এটি এক রাতের নির্বাচনের জন্য শুরু করা আন্দোলন নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলানোর দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ।
নির্বাচনি অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি লেখেন, পরিচ্ছন্ন প্রচারণা সফল হলেও তা শক্তিশালী সাংগঠনিক কাঠামো দিয়ে আরও দৃঢ় করতে হবে। ভোটের দিন পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতি ও সাহসকে তিনি ভোট রক্ষার মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি ‘জুলাই অভ্যুত্থান’-এর কথাও স্মরণ করেন এবং বলেন, গণতন্ত্রের পথ সুগম করতে যারা আত্মত্যাগ করেছেন, তাদের প্রতি জাতি ঋণী। একই সঙ্গে অধ্যাপক ইউনূস, তার দল ও নির্বাচন কমিশনকে একটি জটিল পরিস্থিতিতে নির্বাচন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।


