অভিশেখ চন্দ্র রায়, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি :- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষে সরকার গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। নির্বাচন কমিশনের ইসি আভাস অনুযায়ী, ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসেই অনুষ্ঠিত হতে পারে।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি জোটের ভাগে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক আসন যেতে পারে। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে দলটির ভেতরে শুরু হয়েছে আলোচনা-তৎপরতা।
তেমনি অন্যান্য জেলার মতো ঠাকুরগাঁও জেলাতেও সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রতিটি আড্ডাস্থল সবখানেই এখন প্রশ্ন, কে পাচ্ছেন সংরক্ষিত আসনের মনোনয়ন।
ঠাকুরগাঁওয়ে বিভিন্ন স্থানে বিএনপি'র দলীয় নেতাকর্মী ও নারীদের মধ্যে আলোচনার এখন ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক ও হরিপুর উপজেলার সাবেক জনপ্রিয় মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা পারভীন। সংরক্ষিত নারী আসনে সংসদ সদস্য হিসেবে তাকে দেখতে চান রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ তৃণমূল পর্যায়ের নারীরা।
স্থানীয় ও দলীয় সূত্রের জানা গেছে নাজমা পারভীন তিনি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সাথে যুক্ত। ঠাকুরগাঁওয়ে দীর্ঘদিন ধরে দলের বিভিন্ন কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন তিনি। সংগঠক হিসেবে তাঁর ভূমিকা তৃণমূল পর্যায়ে চোখে পড়ার মত। দলের জন্য নারী হিসেবে তিনি একজন নিবেদিত প্রাণ এবং যোগ্য একজন ব্যক্তি।
জেলায় নারী সংগঠনকে সুসংগঠিত রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। সেই সাথে স্বেচ্ছাসেবক মূলক কাজ করতে দেখা গেছে তাকে অসহায়দের পাশে থেকে কাজ করেছেন। ঠাকুরগাঁও ১ আসন ওই আসনে বরাবরই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছেন তিনি এই নির্বাচনে মহিলা দলের একজন নেত্রী হিসেবে কঠোর ভূমিকা রেখেছেন নাজমা।
এছাড়াও আরো দুটি আসন রয়েছে জেলায় এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটে গিয়ে নেতাকর্মীদের পাশে থেকেছেন তিনি।
সেই দুঃসময়ে মামলা হামলা পার করে নারীরা ছিলেন সামনে, তাদের মধ্যে প্রথম সারির নেত্রী তিনি। তাই সংরক্ষিত নারী আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায়ন রয়েছে নাজমা পারভীন।
এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক নাজমা পারভীন বলেন আমি ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। আন্দোলন-সংগ্রামে দল ও নেতৃত্বের পাশে সব সময় থেকেছি। অতীতের সরকারের আমলে মামলা দিয়ে হয়রানি করেছে। আমার স্বামীকে দীর্ঘদিন মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে রেখেছিলেন। তবুও আমি মনোবল ঠিক রেখেছি রাজনীতি থেকে সরে যায়নি। ভেবেছিলাম কোন একটা সময় ভালো সময় আসতে পারে অনেক সংগ্রাম করে আজ এই পর্যায়ে এসেছি। এখন শুধু স্বপ্ন একটাই আগেও যেমন দলকে ভালোবেসে নারীদের নিয়ে কাজ করেছি। পরবর্তীতে নারীদের নিয়ে কাজ করে যাব।
সংরক্ষিত আসনে মনোনয়ন দেওয়া দলীয় সিদ্ধান্তের বিষয়। দল আমাকে মূল্যায়ন করলে এবং কাজ করার সুযোগ দিলে অবশ্যই আমি ভালো কিছু উপহার দেয়ার চেষ্টা করব।
প্রধান সম্পাদক : জুয়েল খন্দকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম রাশেদ হাসান
নির্বাহী সম্পাদক : গাজী ওয়ালিদ আশরাফ সামী
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হট-লাইন নাম্বার : ০১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ০১৯৬৭৯৯৯৭৬৬.
স্বত্ব © ২০২৬ দেশপত্র