শিরোনাম
ঘুষ ছাড়া কাজ ক‌রেন না ময়মনসিংহ সদর সার্ভেয়ার হুমায়ুন কবির খান পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর ফোনালাপ ভয় দেখিয়ে যারা ক্ষমতায় আসতে চায়, তাদের পতন হাসিনার চেয়েও ভয়ঙ্কর হবে মানুষ পরিবর্তন ও রাজনৈতিক অধিকার চায়: তারেক রহমান দোষারোপের রাজনীতি থেকে বের হতে পরামর্শ চান তারেক রহমান জনগণের চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে সভা-সমাবেশ করা যাবে না: ইসি ভালুকায় দিপু হত্যার ঘটনায় আরও একজন গ্রেপ্তার সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাইয়ের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি আমার এলাকাকে শেষ করে দিয়েছে: মির্জা আব্বাস দুই আসনেই প্রার্থিতা ফিরে পেলেন সেই স্বতন্ত্র প্রার্থী

কেমিক্যাল আর কাপড়ের রং দিয়েই তৈরি করে ফেলে টমেটো সস্

Chif Editor

নিজস্ব প্রতিনিধি :
ঢাকার দোহারের নয়াবাড়ি ইউনিয়নের আন্তা এলাকায় ক্ষতিকারক কেমিক্যাল, কাপড়ের রঙ ও আঠা দিয়ে তৈরি হচ্ছে ভেজিটেবল সস্। বৃহস্পতিবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার কুসুমহাটি ইউনিয়নের সুরহাব মন্ডলের বাড়ি ভাড়া নিয়ে একই ইউনিয়নের বাস্তা এলাকার হদু মাদবরের ছেকে মুক্তার হোসেন নামে এক ব্যক্তি গড়ে তুলেছেন এই সস্ তৈরির অবৈধ কারখানা। যা বাজারজাত করা হচ্ছে দোহার-নবাবগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকায়। বাজারজাতের ফলে বিভিন্ন হোটেল ও রেস্টুরেন্টে খাবারের সাথে এই সস্ খেয়ে মৃত্যু ঝুকিতে পরছেন শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ।
কারখানা মালিক মোক্তার হোসেনকে পাওয়া না গেলেও কারখানায় থাকা তোফাজ্জল শরিফ নামে এক শ্রমিক জানান তিনি মুক্তার হোসেনের কথামত এই কেমিক্যাল দিয়ে ক্ষতিকারক এই সস্ তৈরি করেন।

বাস্তা বাজারে মোক্তারের রয়েছে একটি ফ্রীজ রিপেয়ারের দোকান। তারও আগে বেশ কয়েক বছর পূর্বে  কার্তিক পুর বাজারে তার দোকান থাকাকালীন ভেজাল পণ্য বিক্রির দায়ে তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এলাকাবাসী তাকে ক্রাইম মোকতার হিসেবেই বেশি চিনে।

এমনকি বোতলের গায়ে লাগানো  স্টিকারে বিএসটিআইয়ের লগো ও নারায়নগঞ্জের ঠিকানা ব্যবহার করে বাজারজাত করা হয় এই সস। এবিষয়ে জানতে মোক্তার হোসেন এর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ঢাকা আছেন বলে ফোন বন্ধ করে দেন। খুব দ্রুত অবৈধ এই কারখানা বন্ধ করে এর মালিক মোক্তার হোসেনকে আইনের অওতায় নিয়ে আসার দাবি জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

Leave a Reply