শিরোনাম
এনসিপির প্রার্থী তালিকায় ১৪ নারী, কে কোন আসন থেকে লড়বেন পল্টনে সিআইডির ট্রেনিং সেন্টার থেকে এসআইয়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার আমি নির্বাচন করবো, কোন দল থেকে করবো এটা পরের ডিসকাশন: আসিফ মাহমুদ আমরা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য এই নির্বাচন করছি না: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা-৪ আসনে লড়বেন হাসনাত আবদুল্লাহ জয়কে ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ নারী ও কন্যার প্রতি সহিংসতা বন্ধে ‘অরেঞ্জ দ্য ওয়ার্ল্ড’ কর্মসূচি পালিত ভাঙ্গুড়ায় নতুন দলগুলো প্রকৃত সংস্কার বোঝে না: মির্জা আব্বাস বেগম খালেদা জিয়ার আসনে যাকে প্রার্থী করলো এনসিপি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে বঙ্গভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার

রংপুর কমিউনিটি হাসপাতালে রোগীর মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা

Chif Editor

শিল্পী আক্তার রংপুর ব্যুরো :- রংপুর কমিউনিটি ডক্টরস হাসপাতালে এক রোগীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার রাতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নিহতের নামে মোকসেদ আলী বয়স ৫০ তিনি নীলফামারীর ডোমারস্ত উপজেলার বামুনিয়া গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক ইউপি সদস্য।

পরিবারের অভিযোগ, চিকিৎসকের অবহেলা ও দালাল চক্রের প্রতারণায় মোকসেদ আলীর মৃত্যু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য অনুযায়ী, হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হলে বুধবার রাতে মোকসেদ আলীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে চিকিৎসক মোঃ আবু জাহিদ বসুনিয়া তার এনজিওগ্রাম করেন। এ সময় রোগীর অবস্থা আশঙ্কা জনক হলে, তার অবসরপ্রাপ্ত ছেলেকে ভুল বুঝিয়ে একটি বন্ডে স্বাক্ষর করিয়ে দূরত্ব রিং বসানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসক। অপারেশন চলাকালীন অবস্থায় মোকসেদ আলী মারা যান বলে পরিবারের দাবি। স্বজনদের অভিযোগ, রোগী মৃত্যুর পরও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মৃতদেহ আইসিইউতে জীবিত হিসাবে প্রদর্শনের চেষ্টা করে। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বজনেরা জোরপূর্বক আইসিও এতে প্রবেশ করলে মোকসেদকে মৃত্যু অবস্থায় দেখতে পান।

মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইফের সম্প্রচার করা হলে হাসপাতালের কর্মচারী ও তাদের সহযোগীরা সজল ও উপস্থিতিদের উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ, এতে কারমাইকেল কলেজ ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী সহ অনেকে আহত হন। নিহতের ছেলে শাফিউল ইসলাম বলেন, অপারেশন রুমে শুধু বাবার ‘আ আ’শব্দ শোনা যায়। পরে যখন আইসিওতে নেওয়া হয়েছে বাবা কোনো নড়াচড়া করেননি। তখনই বুঝতে পেরেছিলাম যে বাবা আর নেই, বাবা মারা গেছেন। কিন্তু হাসপাতাল তা গোপন করে। নিহতের শ্যালক হুমায়ুন কবির বলেন, আইসিওতে ঢুকে দেখি আমার দুলাভাই অনেক আগেই মারা গেছে। আমি ফেসবুকে লাইফে গেলে হাসপাতালে পেটনা বাহিনী আমার উপর চড়াও হয়, এ ঘটনার পর রাগ নয়, তার দিকে এলাকাবাসী হাসপাতালে এসে ঘেরাও করে দোষীদের শাস্তি দাবি করেন।

স্থানীয়রা বলেন, হাসপাতালের সঙ্গে যুক্ত একটি দালাল চক্র প্রায় দেড় লাখ টাকা হাতিয়ে অপারেশনের ব্যবস্থা করেছিলেন। হাসপাতালের পরিচালক মেরাজ মহসিন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন,’এ ঘটনায় হাসপাতালে কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই জড়িত নয়, রোগী নিজেই পরামর্শ নিয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। আমরা কেবল অপারেশন থিয়েটার ও যন্ত্রপাতি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছিলাম। রোগীর অবস্থা খারাপ হলে আইসিওতে নেওয়া হয় এবং রোগী সেখানেই মারা যান। পরে স্বজনেরা জোর করে প্রবেশ করে ফেসবুক লাইভে যান। ঘটনার পর রাতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সংবাদ সম্মেলন করে, জানিয়ে নেটিজেন দের মধ্য ক্ষোভ দেখা দেয়। এলাকাবাসী ও স্বজনেরা দ্রুত ঘটনাটির নিরপেক্ষ তদন্ত এবং সংশ্লিষ্ট শ্রীকৃষ্ণ ও দালাল চক্রের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

Leave a Reply