
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) ভবনে ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তার ৪৫ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ইসরাত জাহান তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- দেলোয়ার হোসেন, সৈয়দ আহমেদ শুভ, শাহজাহান, অপূর্ব ইসলাম, শরিফুল ইসলাম নিলয়, জাহিদ হাসান হৃদয়, শাহেদ ভূঁইয়া, বুলবুল আহমেদ, দীপক হাজরা, মান্না হোসেন, ইয়াছিন আরাফাত অর্নব, আশরাফ উদ্দিন, শাহ জালাল, শাহিন, নাঈম, সাইদুর রহমান, ইমতিয়াজ আহমেদ হৃদয়, রমজান, সাব্বির হোসেন, শাহিন, তরিকুল ইসলাম রিফাত, মঈন হোসেন রাজন, অনিক হোসেন, তরিকুল ইসলাম, রিফাত হোসেন, হানিফ মিয়া, শাহাদাৎ হোসেন রাব্বি, সোহানুল হক, তারেক আজিজ, সাজ্জাদ ইসলাম, শিপন, এজাজ হোসেন সিয়াম, উনায়েস ইমরান, মনিব আক্তার, হারিজ, সাব্বির হোসেন বিজয়, এস এম মতিউর রহমান, রাজন শেখ, আবু সাদিক রাকিব, মামুন ব্যাপারী, মজিবুর রহমান, সালাউদ্দিন ব্যাপারী, আমিনুল ইসলাম নাইম, রাকিবুল হাসান রাকিব ও আব্দুল্লাহ সবুজ।
এদিন তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার উপপরিদর্শক শামসুজ্জোহা সরকার।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ী সংশ্লিষ্টরা ইতিপূর্বে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করেন। তাদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিটিআরসির চেয়ারম্যান আন্দোলনকারীদের নিয়ে একাধিকবার তাদের দাবি দাওয়ার বিষয়ে সুরহার জন্য বৈঠক করে।
পরে এই বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তক্রমে বৃহস্পতিবার এনইআইআর সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়।
এনইআইআর সিস্টেম চালু হওয়ায় এই ৪৫ আসামি ও পলাতক ৯ জনসহ অজ্ঞাতনামা ৫০০-৬০০ জন আন্দোলনকারী ক্ষুব্ধ হয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে শেরেবাংলা নগর থানাধীন আগারগাঁও এলাকাস্থ বিটিআরসি ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আন্দোলন করতে থাকেন।
এজাহারে বলা হয়, আন্দোলনের একপর্যায়ে তারা ক্ষুব্ধ হয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে রাষ্ট্রের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করার লক্ষ্যে জনগণের সম্পদ ধ্বংস, কমিশনের কর্মকর্তা কর্মচারীসহ সাধারণ জনমনে ত্রাস সৃষ্টি করার লক্ষ্যে বিটিআরসি ভবনের বাহিরের কাঁচের দেওয়ালসহ ভবনে ভাঙচুর করে আনুমানিক দুই কোটি টাকার ক্ষতিসাধন করেন। এছাড়াও তারা বিআরটিসি ভবনের সামনে থাকা ৫১ সিট বিশিষ্ট বিটিআরসির এসি স্টাফবাস পুড়িয়ে এক লাখ টাকার ক্ষতিসাধন করেন।



