শিরোনাম
নওগাঁয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক নারীর সঙ্গে প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ স্টিমার সার্ভিস চালু, বিমানের ফ্লাইট বৃদ্ধি সহ বিভিন্ন দাবীতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংবাদিক ইউনিয়নের ইফতার মাহফিলে পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার করার আহ্বান অর্থের লোভে বিবাহ সম্পাদন করাসহ নানা অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ের মোখলেছুর কাজী বিরুদ্ধে বাংলাদেশ আগামী ৫ দিন বৃষ্টি ও কালবৈশাখীর পূর্বাভাস ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া কোনোভাবেই টলারেট করা হবে না: হাইওয়ে ডিআইজি সাড়ে ৫৮ হাজার টন গম নিয়ে মোংলায় পৌঁছাল জাহাজ জুনে চালু হবে ই-হেলথ কার্ড: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ইরানে হামলা করার মতো তেমন কিছুই অবশিষ্ট নেই: ট্রাম্প ঢাবি অধ্যাপক জামাল উদ্দিন গ্রেপ্তার

২৯৫ ওষুধের দাম নির্ধারণ-সাধারণ মানুষের চিকিৎসায় নতুন দিগন্ত, ডা. জাফরুল্লাহর স্বপ্নপূরণ!

Mehraz Rabbi

নিজস্ব প্রতিবেদক।। বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের কিংবদন্তি এবং ১৯৮২ সালের ঐতিহাসিক ওষুধ নীতির রূপকার ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর আজীবনের লালিত স্বপ্ন ছিল,দরিদ্রতম মানুষটিও যেন সস্তায় জীবনরক্ষাকারী ওষুধ পায়।সেই স্বপ্নেরই এক বিশাল জয় দেখছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

​সম্প্রতি জাতীয় অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা সম্প্রসারণ এবং ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য নির্ধারণ সংক্রান্ত নতুন গাইডলাইন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় অনুমোদিত হয়েছে। এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর জনমুখী স্বাস্থ্য দর্শনের এক অনন্য বিজয় হিসেবে অভিহিত করেছে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।

​জনস্বাস্থ্যের নতুন দিগন্ত -গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটির সদস্য ডা. মুহিব উল্লাহ খোন্দকার স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, সরকারের এই সিদ্ধান্তের ফলে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ২৯৫টি ওষুধের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য সরকার নির্ধারণ করে দেবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের সাধারণ মানুষের ওপর; কারণ বর্তমানে প্রায় ৮০ শতাংশ সাধারণ রোগের চিকিৎসা এই ওষুধগুলোর মাধ্যমেই সম্ভব। ফলে সাধারণ মানুষের জন্য সুচিকিৎসা এখন অনেক বেশি সুলভ ও সহজলভ্য হবে।

 

​১৯৮২ সালের ওষুধ নীতি ও বর্তমান প্রেক্ষাপট
​বিজ্ঞপ্তিতে স্মরণ করা হয় যে, ১৯৮২ সালে ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর হাত ধরেই বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প স্বাবলম্বী হওয়ার পথে যাত্রা শুরু করেছিল। তবে মাঝখানে ওষুধের বাজার ব্যবস্থা কিছুটা শিথিল হওয়ায় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছিল প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম। সরকার পুনরায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণের দায়িত্ব নিজ হাতে নেওয়ায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র মনে করে, এটি ডা. জাফরুল্লাহর সেই অসম্পূর্ণ কাজকে পূর্ণতা দেওয়ার একটি বৈপ্লবিক পদক্ষেপ।

 

​অধিকার হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা ​বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়, অপরিহার্য ওষুধে প্রবেশাধিকার কোনো বিলাসিতা নয়, এটি জনগণের মৌলিক অধিকার। সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাকে একটি জনকল্যাণমুখী রূপান্তরের দিকে নিয়ে যাবে, যা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী সারা জীবন চেয়ে এসেছেন।

 

​এই যুগান্তকারী পদক্ষেপের জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র আশা প্রকাশ করে যে, এই গাইডলাইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি প্রান্তের মানুষ ওষুধের ন্যায্যমূল্যের সুফল ভোগ করবে।

Leave a Reply