শিরোনাম
পুকুর ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে জরিমানা,৭ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

মিঠাপুকুরে গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা গিলে খাচ্ছে ফারুকের ইটভাটা জনদুর্ভোগে লোহনীবাসী

Chif Editor

শিল্পী আক্তার, রংপুর ব্যুরো :- মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নের বাহির লোহনী গ্রামে ইটভাটার করাল গ্রাসে হারিয়ে যেতে বসেছে গ্রামীণ কাঁচা রাস্তাগুলো। স্থানীয় প্রভাবশালী ফারুকের ইটভাটার মাটি বহনকারী ট্রাক্টরের তাণ্ডবে মাটির রাস্তাগুলো এখন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী। দিনরাত বিরতিহীনভাবে ২০ থেকে ৩০টি ড্রাম ট্রাক /ট্রোলি চলাচলের ফলে ধুলোবালি আর গভীর গর্তে একাকার হয়ে গেছে জনপদটি।

গ্রামের ভেতর দিয়ে চলাচলের কাঁচা রাস্তাগুলো ছিল সাধারণ মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু ফারুকের ইটভাটার ভারি ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে সেই রাস্তাগুলোর এখন কঙ্কাল দশা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ট্রাকের ওজনে কাঁচা রাস্তা দেবে গিয়ে বড় বড় নালায় পরিণত হয়েছে। বৃষ্টির দিনে যা কাদার নরক আর শুকনা মৌসুমে ধুলার মরুভূমি। এলাকাবাসীর আক্ষেপ,উন্নয়ন তো দূরের কথা, ফারুকের ভাটার কারণে আমাদের পুরনো কাঁচা রাস্তাগুলোও সে গিলে খাচ্ছে।

রাস্তা খাচ্ছে ইটভাটা এই প্রভাব শুধু চলাচলেই সীমাবদ্ধ নেই। রাস্তা থেকে উড়ে আসা ধুলো আর ইটের খোয়ার আস্তরণে ঢাকা পড়ে গেছে চারপাশ। ফলে বাহির লোহনী এলাকার ঐতিহ্যবাহী নারিকেল ও সুপারি গাছগুলোর ফলন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আবাদী জমির ওপর ধুলার আস্তর পড়ায় কৃষকরা ফসল নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। অনেক জায়গায় রাস্তার পাশের জমি ভেঙে ট্রাক চলাচলের পথ করা হচ্ছে, যা কৃষিজমির আয়তন কমিয়ে দিচ্ছে।
ধুলার রাজ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এলাকার কোমলমতি শিশুরা। স্কুলে যাওয়ার পথে ধুলোয় নিঃশ্বাস নিতে পারছে না শিক্ষার্থীরা। সর্দি, কাশি ও হাঁপানিসহ নানা চর্মরোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। প্রতিদিন ২০-৩০টি ট্রাক্টরের বিকট শব্দ আর ধুলার কারণে বাড়িতে পড়াশোনা করাও দায় হয়ে পড়েছে। স্কুলগামী শিশুদের অভিভাবকরা সর্বদা দুর্ঘটনার আতঙ্কে থাকছেন।

এলাকার সাধারণ মানুষের দাবি, অবিলম্বে এই পরিবেশ ও রাস্তা বিধ্বংসী কর্মকাণ্ড বন্ধ করে গ্রামীণ রাস্তাগুলো সংস্কার করার জন্য উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

Leave a Reply