শিরোনাম
নীরব আকাশে হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল একাধিক অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তির ময়মনসিংহে সংগঠিত অপরাধ কর্মকান্ডের চিত্র নির্বাচন করতে পারছেন না বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ-চেক বাণিজ্যের অভিযোগ-চার ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা বাঁচাতে তৎপর তেলবাজ সাংবাদিক চক্র! মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, কুমিল্লার বুড়িচং প্রতিনিধি মিঠাপুকুরে গ্রামীণ কাঁচা রাস্তা গিলে খাচ্ছে ফারুকের ইটভাটা জনদুর্ভোগে লোহনীবাসী রংপুরে কারাগারে থাকা বিষাক্ত মদ বিক্রেতার মৃত্যু সিদ্ধান্ত হবে হ্যাঁ ও না ভোটে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ রংপুরে আলী রীয়াজ ১২ বছর বয়সী ছাত্রীকে নিয়ে পালালো প্রধান শিক্ষক, অতঃপর… নোয়াখালীতে আগ্নেয়াস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেপ্তার ২

বরিশালে গণপূর্তে ঘুষ-চেক বাণিজ্যের অভিযোগ-চার ফ্যাসিস্ট কর্মকর্তা বাঁচাতে তৎপর তেলবাজ সাংবাদিক চক্র!

Mehraz Rabbi

মেহরাজ রাব্বি।। বরিশাল গণপূর্ত বিভাগে দুর্নীতির অভিযোগ চাপা দিতে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় বলে অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের তীর গণপূর্ত বিভাগের কয়েকজন প্রভাবশালী কর্মকর্তা, হিসাব শাখা ও নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমের দিকে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রকল্পকে ঘিরে চেক হস্তান্তর, ক্ষমতার্পণ ও বিল পরিশোধে ভয়াবহ অনিয়ম আড়াল করতেই সুনাম নষ্টের ষড়যন্ত্র নাটক সাজানো হচ্ছে।সূত্র জানায়, শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু ও কিডনি ডায়ালাইসিস ওয়ার্ড সংস্কার প্রকল্পের উপখাত এ ব্লকের এসি কেবিন সংস্কার কাজটি বাস্তবে সম্পাদন করেছেন মোঃ মাসুদুর রহমান মাসুদ। অথচ কাজের বিল ও চেক ইস্যু দেখানো হয়েছে মেসার্স গাজী বিল্ডার্স-এর নামে, যার প্রোপাইটর মোঃ আল-মামুন বর্তমানে পলাতক এবং নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি,এমন তথ্যও রয়েছে।

 

অভিযোগ রয়েছে, প্রোপাইটর পলাতক থাকা সত্ত্বেও রহস্যজনকভাবে তার প্রতিষ্ঠানের নামে বিল অনুমোদন, এমবি যাচাই ও চেক ইস্যু করা হয়। পরে সেই চেক ক্ষমতার্পণপত্র দেখিয়ে অন্য ব্যক্তির হাতে তুলে দেওয়া হয়,যা পিপিআর ও সরকারি আর্থিক বিধির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

আরও গুরুতর অভিযোগ হলো,চেক ইস্যুর পর অর্থ কোথায় গেল, কে ভাঙাল, কীভাবে লেনদেন হলো,এসব বিষয়ে জানার চেষ্টা করলে উল্টো অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। কিছু তেলবাজ সাংবাদিক ও অনলাইন পোর্টালকে ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে, যাতে গণপূর্তের ভেতরের অনিয়ম ধামাচাপা থাকে।

 

স্থানীয়দের দাবি,হিসাব রক্ষক রুপক নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ ফয়সাল আলমএবং সংশ্লিষ্ট আরও কয়েকজন কর্মকর্তা এই পুরো প্রক্রিয়ার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।তারা সবাই ফ্যাসিস্ট আমলের সুবিধাভোগী এবং এখনো সেই নেটওয়ার্ক টিকিয়ে রাখতে মরিয়া অভিযোগকারীদের মতে, দুর্নীতি প্রকাশ হয়ে পড়ায় এখন উল্টো ঠিকাদার লাইসেন্স কালো তালিকাভুক্ত করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে,যা প্রকৃত সত্য আড়াল করার একটি কৌশল মাত্র।

প্রশ্ন রয়ে যায়,পলাতক ঠিকাদারের নামে কীভাবে বিল ও চেক অনুমোদন হয়?প্রকৃত কাজকারী ব্যক্তি থাকলেও কেন অন্য প্রতিষ্ঠানের নামে অর্থ ছাড়?সাংবাদিকদের একাংশ কেন একতরফা হয়ে গণপূর্ত কর্মকর্তাদের ঢাল হয়ে দাঁড়াল?সচেতন মহলের মতে,নিরপেক্ষ তদন্ত হলে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগের চার ঘুষখোর ফ্যাসিস্ট মুখোশধারীর আসল চেহারা সামনে আসবেই।

পরবর্তী পর্বে থাকছে আরো চমক…

Leave a Reply