প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি :- মাঘ মাসের প্রচন্ড শীতের কনকনে তীব্র হাওয়ায় যখন সাধারণ জনজীবন বিপর্যস্ত, ঠিক সেই সময় মানবতার উদ্যোগ নিয়ে গরীব,দুস্থ ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা মানবিক ব্র্যাক। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ব্র্যাকের উদ্যোগে গরীব,দুস্থ ও অসহায় শীতার্তদের মাঝে বিনামূল্যে শীতবস্ত্র কম্বল বিতরণ করে।
রবিবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল ১১ টায় ব্র্যাক ভাঙ্গুড়া শাখার আয়োজনে, শাখা কার্যালয় চত্বরে এ কম্বল বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন ব্র্যাকের এরিয়া ম্যানেজার মোঃ রাজু আহমেদ (দাবী)।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন এলাকা ব্যবস্থাপক প্রণব কুমার তালুকদার (প্রগতি), উপজেলা হিসাব ব্যবস্থাপক পোদ্দাল (ব্র্যাক), শাখা ব্যবস্থাপক মোঃ মনিরুজ্জামান, ভাঙ্গুড়া প্রেস ক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ গোলাম রাব্বি সহ স্থানীয় সংবাদ কর্মীরা।
প্রধান অতিথি তার আবেগঘন বক্তব্যে বলেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই ব্র্যাকের মূল শক্তি। একজন শীতার্ত মানুষ যদি আজ একটু শীত নিবারণ বস্ত পায়, সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন। সমাজের অন্যান্য এনজিও ও বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান—এই তীব্র শীতের সময়ে গরীব,দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ান।”
অনুষ্ঠানে মোট ৪০০টি কম্বল বিতরণ করা হয়। এই কম্বল পেয়ে অনেক অসহায় মানুষের চোখে-মুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দ। ৭০ বছর বয়সী শীতার্ত নারী সালেকা কম্বল হাতে পেয়ে আবেগে কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন, “এই শীতে কম্বল না পেলে কীভাবে থাকতাম জানি না। ব্র্যাক আজ আমাদের কম্বল দিয়ে বাঁচিয়ে দিল।”
কালীবাড়ি বাজার এলাকার বৃদ্ধা লক্ষ্মী রানী বলেন, “এই শীতে আমাদের কেউ খোঁজ নেয়নি। ব্র্যাক অফিস থেকে ডেকে এনে নিজের হাতে কম্বল তুলে দিয়েছে। এই সমআদর কোনদিন ভুলবো না।”
“মানুষের পাশে আমরা, জরুরি সাড়া দান” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ব্র্যাকের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কর্মসূচির আওতায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়। শীতার্ত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে ব্র্যাকের এই মানবিক উদ্যোগ এলাকাবাসীর প্রশংসা করেছেন।
প্রধান সম্পাদক : জুয়েল খন্দকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম রাশেদ হাসান
নির্বাহী সম্পাদক : গাজী ওয়ালিদ আশরাফ সামী
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হট-লাইন নাম্বার : ০১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ০১৯৬৭৯৯৯৭৬৬.
স্বত্ব © ২০২৬ দেশপত্র