শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি ইরানকে তুরস্কের কঠোর সতর্কবার্তা

রাণীশংকৈলে বালু মহাল না থাকায় বিপাকে ঠিকাদার ও ভাটা ব্যবসায়ীরা

Chif Editor

অভিষেক চন্দ্র রায়, রাণীশংকৈল (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :- ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় সরকারি ভাবে কোনো বালু মহাল না থাকায় বিপাকে পড়েছেন এলডিইডির উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় রাস্তা, সেতু ও কালভার্ট, শিক্ষা প্রকৌশলীর অধিনে ভবন নির্মাণের নিয়োগপ্রাপ্ত ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও ইটভাটা মালিকরা। এছাড়া ব্যক্তি মালিকানায় পাকা বসতবাড়ি নির্মাণে বালু ব্যবহার নিয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে নির্মাণ কাজে পঞ্চগড় জেলা থেকে উচ্চমূল্যে বালু কিনে এনে কাজ করতে বাধ্য ঠিকাদাররা। সরকার ঘোষিত বালু মহাল না থাকায় প্রতি বছর এ খাত থেকে সরকার কোটি কোটি টাকার রাজস্বও হারাচ্ছে।

দূর থেকে বালু কিনে এনে এ উপজেলায় বালু বিক্রি করায় বালুর খরচও পড়ে অনেক বেশি। তাই স্থানীয় কুলিক নদী কিংবা জলাশয়ে বালু উত্তোলন করলেই গুনতে হচ্ছে জরিমানা অথবা জেল। এক পরিসংখ্যানে দেখাযায়,রাণীশংকৈল মোট ২৬টি ইটভাটা রয়েছে প্রতিভাটার জন্য প্রয়োজন ৪০হাজার সেপ্টি বালু। এলজিইডিতে ১৪কিঃমিঃ রাস্তা নির্মাণ চলমান। প্রতি কিলোমিটার রাস্তায় ২৭হাজার সেপ্টির বালুর প্রয়োজন। স্থানীয় ভাবে বালুমহাল না থাকার কারণে চোরাই পথে বালু উত্তোলন করে বালু ব্যবহার করছে। প্রশাসনের বাধার কারণে চড়া মুল্যে বালু ক্রয় করতে হয়। এখান থেকে ১শকিলোমিটার দূরে তথা পঞ্চগড়ে বালু মহাল থাকায় সেখান থেকে বালু সংগ্রহ করতে অনেক টাকা বেশি গুনতে হয় তাদের। স্থানীয় বাসিন্দা, ইটভাটা মালিক ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারীদের দাবি, দ্রুত যাতে সরকারি ভাবে প্রয়োজন অনুযায়ী বালু মহাল অনুমোদন দেওয়া হয়।

ইটভাটা মালিক সমিতির সভাপতি আহাম্মেদ হোসেন বিপ্লব বলেন,এ উপজেলায় বৈধ বালুমহাল না থাকায় দূরের বিভিন্ন জায়গা থেকে উচ্চমূল্যে বালু কিনে ইটভাটা ও নির্মাণ কাজে ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে অর্থ ও সময় অপচয় হচ্ছে। তাই সরকার ঘোষিত বালুমহাল জরুরি হয়ে পড়েছে। ঠিকাদার কল্যাণ সমিতির সভাপতি আবু তাহের বলেন, স্থানীয়ভাবে বালু মহাল না থাকায় ঠিকাদাররা আমরা বে-কায়দায় রয়েছি। দূর থেকে বালু নিয়ে এসে রাস্তা নির্মান কিংবা বিল্ডিং নির্মানে লোকশানে পড়তে হচ্ছে আমাদের।

এব্যাপারে উপজেলা নির্বহি কর্মকর্তা খাজিদা বেগমের মুঠোফোনে একাধিকবার চেষ্ঠা করেও তিনি ফোন রিসিভ করেনি। সহকারি কমিশনার (ভূমি) এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মজিবুর রহমান বলেন,বালু মহালের জন্য নিদিষ্ঠ এলাকা লাগে তাই এ উপজেলায় কোন পয়েন্ট নেই। উদ্ধর্তন কতৃপক্ষের সাথে কথা বলে বালু মহাল করার ব্যবস্থা করা হবে।

Leave a Reply