শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি ইরানকে তুরস্কের কঠোর সতর্কবার্তা

কুমিল্লায় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো

Chif Editor

কুমিল্লা প্রতিনিধি :- কুমিল্লার দেবিদ্বারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে শতাধিক অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কুমিল্লা- সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়ক সংলগ্ন দেবীদ্বার নিউমার্কেট এলাকায় যানজট নিরসন ও ফুটপাত অবমুক্তকরণে স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকাল দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলে উচ্ছেদ অভিযান।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম এবং উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও পৌর প্রশাসক মো. ফয়সল উদ্দিন।

এ সময় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন ইউছুফ এবং দেবিদ্বার থানার উপ-পরিদর্শক সাগর আহমেদের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক সেনা সদস্য, পুলিশ, আনসার ও পৌরসভার পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একাধিক প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় জেলা পরিষদ, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগ, শিক্ষা বিভাগ, সমবায় বিভাগ এবং সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখল করে এসব অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে সেগুলো হকারদের কাছে ভাড়া দিয়ে পরিচালনা করা হচ্ছিল। এর ফলে ওই এলাকায় প্রতিনিয়ত তীব্র যানজটের সৃষ্টি হচ্ছিল। বিশেষ করে নারী, শিশু, রোগী, অফিসগামীসহ সর্বস্তরের মানুষ চলাচলে চরম দুর্ভোগে পড়ছিলেন। উচ্ছেদ অভিযানের মাধ্যমে ফুটপাত ও সড়কের জায়গা দখলমুক্ত হওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

এ বিষয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুল ইসলাম বলেন, যানজট নিরসন ও সর্বসাধারনের চলাচল নির্ভিগ্ন করতে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা মাইকিং করে অবৈধ স্থাপনার মালিক ও ব্যবসায়িদের কিচেন মার্কেটে সরে যেতে বলা হলেও তারা যায়নি। তাই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে বাধ্য হয়েছি। আমাদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে। যাদের উচ্ছেদ করা হয়েছে তাদের শতবছরের পুরাতন বাজারে অবস্থিত ‘কিচেন মার্কেটে’ যাওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ওখানে কোন ব্যবসায়ীকে ৬ মাসের জন্য খাজনাও দিতে হবেনা।

Leave a Reply