এবিএম আতিকুর রহমান বাশার, নিজস্ব প্রতিবেদক :- কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার ৪ নং সুবিল ইউনিয়নের মানুষ একবাক্যে যাঁর নাম উচ্চারণ করেন বিশ্বাস, সততা আর নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক হিসেবে—তিনি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান গোলাম সারোয়ার মুকুল ভূঁইয়া। স্থানীয়ভাবে ‘মুকুল ভূঁইয়া’ নামে পরিচিত এই মানুষটি ক্ষমতা, বিত্ত কিংবা বাহারের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন। মানুষের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে মানুষের কথা শোনা, মানুষের পাশে থাকা—এটাই তাঁর জীবনদর্শন, এটাই তাঁর ব্রত।
সাদাসিধে জীবনযাপন, অনাড়ম্বর চলাফেরা আর নিভৃতচারী ব্যক্তিত্বের আড়ালে লুকিয়ে আছে এক দৃঢ়চেতা, আপসহীন ন্যায়পরায়ণ মানুষ। যিনি বিশ্বাস করেন—জনপ্রতিনিধি মানেই জনগণের খাদেম, শাসক নন।
বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কোনো পেশিশক্তি, কালো টাকা কিংবা রাজনৈতিক ছত্রছায়া ছিল না তাঁর পুঁজি। পুঁজি ছিল একটাই—সততা, ন্যায়বোধ আর মানুষের নিখাদ ভালোবাসা। সে কারণেই সাধারণ মানুষ নিজের শ্রম, অর্থ আর ভালোবাসা ঢেলে দিয়ে তাঁকে বিজয়ী করেছিলেন। রিকশাচালক ভাড়া নিতে চাননি, দিনমজুর মজুরি বাঁচিয়ে চাঁদা দিয়েছেন, প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন সহযোগিতা। গ্রামের শত শত নারী-পুরুষ নফল রোজা রেখেছেন, নামাজ পড়ে দোয়া করেছেন—এই মানুষটির বিজয়ের জন্য।
ক্ষমতায় এসেও তিনি বদলে যাননি। নির্বাচনের আগে যিনি ছিলেন, আজও তিনি ঠিক তেমনই। ক্ষমতার দম্ভ নয়, কৃতজ্ঞতার দায়বদ্ধতা নিয়েই তিনি জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
বাংলাদেশে হাতে গোনা যে ক’জন জনপ্রতিনিধিকে নিঃসংকোচে সৎ, দেশপ্রেমিক ও মানবিক বলা যায়, গোলাম সারোয়ার মুকুল ভূঁইয়া তাঁদের মধ্যে নিঃসন্দেহে অগ্রগণ্য। তাঁকে জানতে হলে বড় মঞ্চে নয়—গ্রামের চায়ের দোকানে, খেটে খাওয়া মানুষের মুখে, ইউনিয়ন পরিষদের উঠানে দাঁড়ালেই যথেষ্ট।
তাঁর “অপরাধ” একটাই—
তিনি অন্যায়ের সঙ্গে আপস করেন না।
ঘুষখোরদের দরজা বন্ধ করে দিয়েছেন।
চাঁদাবাজ, মাদককারবারি, অবৈধ ড্রেজার ব্যবসা ও লুটপাটের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন।
আর ঠিক এখানেই শুরু হয়েছে ষড়যন্ত্র।
যারা অন্যায় করে সুবিধা নিতে পারত, যারা ইউনিয়নকে নিজের খেয়ালখুশির খামার বানাতে চেয়েছিল—তারাই আজ ক্ষুব্ধ, প্রতিহিংসাপরায়ণ। সেই চক্রই ইদানীং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও কুৎসা রটনায় নেমেছে। কখনো রাজনৈতিক তকমা সেঁটে, কখনো বিভ্রান্তিকর অভিযোগ ছড়িয়ে তাঁকে হেয় করার অপচেষ্টা চলছে।
সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয়—
এই অপপ্রচারের রেশ যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পর্যন্ত ভুলভাবে প্রভাবিত না করে। এলাকাবাসীর একটাই প্রত্যাশা—এই সৎ ও জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধির ক্ষেত্রে যেন আইন, সত্য ও ন্যায়বিচারই শেষ কথা হয়, কোনো গুজব বা ষড়যন্ত্র নয়।
কারণ, গোলাম সারোয়ার মুকুল ভূঁইয়া কোনো বিত্তবান নন, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে তিনি ধনবান। দিনমজুর, শ্রমজীবী, অসহায় মানুষের কল্যাণেই তাঁর দিন কাটে। ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি সেবায় তিনি নিশ্চিত করেছেন ঘুষ ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশ।
চেয়ারম্যান সনদ, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন, ওয়ারিশ সনদ, প্রত্যয়নপত্র, ট্রেড লাইসেন্স—কোথাও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ নেই। ফলে সাধারণ মানুষ আজ নির্ভয়ে, আস্থাভরে ইউনিয়ন পরিষদমুখী।
দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই তিনি সুবিল ইউনিয়নকে একটি নিরাপদ, মানবিক ও সচেতন সমাজে রূপ দিতে কাজ করে যাচ্ছেন। মাদক ও বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, ন্যায়ভিত্তিক সালিশ, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, কাঁচা রাস্তা পাকাকরণ, বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশনের উন্নয়ন—সবখানেই রয়েছে তাঁর নিরবচ্ছিন্ন পদচারণা।
প্রচারবিমুখ এই মানুষটি নিজেই বলেন—
“আমি জনপ্রিয় হতে নয়, দায়িত্ব পালনে বিশ্বাসী। যতদিন দায়িত্বে থাকব, ততদিন মানুষকে হয়রানিমুক্ত সেবা দেওয়ার চেষ্টা করব।”
আজ সুবিল ইউনিয়নের মানুষ শুধু একজন চেয়ারম্যান নয়—একজন অভিভাবক, একজন ভরসার নাম হিসেবে মুকুল চেয়ারম্যানকে দেখেন।
এই মানুষটিকে ঘিরে যেকোনো সিদ্ধান্তে তাই সুবিলবাসীর একটাই নীরব কিন্তু দৃঢ় আবেদন—
মিথ্যা অভিযোগ নয়, সত্য যাচাই হোক।
অপপ্রচার নয়, ন্যায়বিচার হোক।
সৎ মানুষের সম্মান যেন রাষ্ট্রই রক্ষা করে।
প্রধান সম্পাদক : জুয়েল খন্দকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : এস এম রাশেদ হাসান
নির্বাহী সম্পাদক : গাজী ওয়ালিদ আশরাফ সামী
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : ১০/৩, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল ঢাকা-১০০০
হট-লাইন নাম্বার : ০১৯৮৮৬৬৩৭৮২, ০১৯৬৭৯৯৯৭৬৬.
স্বত্ব © ২০২৬ দেশপত্র