জানা যায়, রেলওয়ে লাইনে বসবাসরত কাইয়ুমের স্ত্রী ও তার ছোট ভাই সিয়ামের স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই সামান্য বিষয় নিয়ে ঝগড়া হতো। গত পরশুদিন তাদের বাড়িতে কুকুর ছানা নিয়ে ঝগড়া হয়। দুই জায়ের একজনের বাড়ি মাহমুদপুর মহল্লায় অন্যজনের বাড়ী মিরপুর মহল্লায়। ঝগড়ার খবর শুনে দুই জায়ের স্বজনরা দুইগ্রাম থেকে ছুটে আসেন। এতেই দুই গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। গত দুইদিন যাবত দুই গ্রামের সংঘর্ষে নদীভাঙনের কারণে রেললাইনে বসবাসরত প্রায় শতাধিক বসতবাড়ি কুপিয়ে ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়। গত রাতেও গ্রামবাসী লাইট নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষের সময় রেললাইনের পাথরের আঘাতে দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন।
কাইয়ুমের স্ত্রী সনি জানান, আমার দেবর সিয়ামের স্ত্রীর সাথে প্রায়ই ঝগড়া হতো। ওই দিন বসতভিটার জাসহ বাড়ির কুকুর ছানা নিয়ে ঝগড়া হয়। এ সময় আমার জা তার বাবার বাড়ির লোকজন নিয়ে এসে আমাকে মারপিট করে। পরে আমার স্বামী আমার জায়ের বাবা নুরনবীর বাড়িতে গিয়ে জায়ের মাকে আঘাত করে। এরপর আমরা চলে আসার পর নুরনবী ও মহিলাসহ কয়েকজন এসে আমার স্বামীকে মারপিট করে। এ নিয়েই দুই গ্রামে মারামারি শুরু হয়। বর্তমানে আমার স্বামী কাইয়ুম হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
মাহমুদপুর মহল্লার রিয়াল জানান, দুই গ্রামের সংঘর্ষে প্রায় শতাধিক বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। তবে যাদের ঘরবাড়ী ভাংচুর লুটপাট করা হয়েছে তারা কেউ মাহমুদপুর বা মিরপুরের বাসিন্দা নয়। তারা নদীভাঙার কারণে এখানে এসে বসবাস করছিল। দুই গ্রামের মাঝখানে থাকায় তাদের ক্ষতি হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে অন্তত ৩০জন আহত হয়েছেন। আমরা দ্রুত প্রশাসনের কাছে মারামারি বন্ধের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
