শিরোনাম
নরসিংদীতে কিশোরীকে ধর্ষণ-হত্যা: ভারতে পালানোর পরিকল্পনা করেছিল সেই নূরা সাইবার দলের কমিটি গঠন; সভাপতি মো. শাহীন চৌধুরী পাশা, সম্পাদক এম. জে সৌরভ আলোচিত ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড: আমেনার সৎ বাবা আশরাফের বিরুদ্ধে পূর্বে ধর্ষণচেষ্টা ও গৃহবধূ হত্যা মামলার ভয়াবহ অতীত কুড়িগ্রাম সীমান্তে মাদকসহ দুই ভারতীয় নাগরিক ও এক বাংলাদেশি যুবককে আটক দেশের নাজুক অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে ট্যাক্স বাড়াতে হবে: অর্থমন্ত্রী রাজনৈতিক পরিচয়ে কেউ যেন চাঁদা নিতে না পারে: নুর আফগানিস্তান এখন ভারতের উপনিবেশে পরিণত হয়েছে: পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমাদের হাত পাকিস্তানের ঘাড় পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে: মুজাহিদ পঞ্চগড়ে নদ-নদীতে বেড়েছে বোরোর আবাদ, কিটনাশকে ধংস জীববৈচিত্র ভেঙে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান নতুন করে কাজ করছে সরকার নিজ এলাকায়: মির্জা ফখরুল

দোহারে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারালো ৭ নারী

Chif Editor

নাছির উদ্দিন পল্লব :

ঢাকার দোহার উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারালো ৭ নারী। রোববার হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। দোহার থানা পুলিশ চোর শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের চিকিৎসা সেবা নিতে এসে তারা তাদের স্বর্ণালংকার হারিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে উপজেলার লটাখোলা গ্রামের রিনা আক্তারের আট আনা ওজনের চেইন, করম আলী মোড়ের হালিমনের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন, নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগমের ১০ আনা ওজনের দুল ও চেইন, বিলাশপুর ইউনিয়নের কুতুবপুরের কমলা বেগমের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন ও পুষ্পখালীর শারমিন আক্তারের আট আনা ওজনের গলার চেইন খোয়া গেছে। অন্য এক নারী আগেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র থেকে বাড়ি চলে যাওয়ায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগম জানান, তিনি তার দেড় বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে কোলে নিয়ে চিকিৎসকের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভিড়ের চাপে তার গলা থেকে চেইন ও কানের দুল নিয়ে যায় কে বা কারা। ছেলেকে বুকের দুধ খাওয়াতে গেলে তখন তিনি বিষয়টি টের পান।

এছাড়াও কয়েকদিন আগে দেশ পত্র পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত  সম্পাদক এর পুত্রবধুর গলার চৌদ্দ আনি স্বর্নের চেইন একই কায়দায় একই স্থান হতে নিয়ে যায়। এবং সম্পাদক নিজ উদ্যোগে সিসি ফুটেজ চেক করতে গেলে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্যামেরা বন্ধ থাকায় চোর সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন জানান, রোগীদের কাছ থেকে ইতোপূর্বেও তিনি এমন অভিযোগ পেয়েছেন। এরপর থেকেই গোটা হাসপাতাল এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। দোহার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে আগেও তিনি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে স্থাপন করা সকল সিসি ক্যামেরার ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের আটক করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

Leave a Reply