শিরোনাম
পুকুর ভরাটের অভিযোগে মোবাইল কোর্টে জরিমানা,৭ দিনের মধ্যে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী বরাবরে অপরাধী, সহ সহযোগিতা কারি অজ্ঞাত নামা অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ, সুবিচারের প্রার্থনা ফুল কুড়ি থিয়েটার এর ৩০ বছর পুর্তি উপলক্ষে ইফতার মাহফিল: সুমন চৌধুরী ছাত্রদলের ১১৮৮ কমিটি বিলুপ্ত ‘আপনাদের মহব্বতকে শ্রদ্ধা করি, তবে তার চেয়েও আমার কাছে মসজিদের আদব ও শৃঙ্খলা গুরুত্বপূর্ণ’ ময়মনসিংহে ৬ এজাহারভুক্ত আসামী গ্রেপ্তারে ডিআইজি বরাবর আবেদন, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে নানা প্রশ্ন তেল না পেয়ে পাম্পকর্মীকেই ছুরিকাঘাত শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য নেপাল সরকার ও জনগণকে প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বাহরাইনে ইরানের হামলায় অনেকে আহত: সেন্টকম ব্রহ্মপুত্রে নাব্যতা সংকট: ফেরি চলাচলে চিলমারী-রৌমারী রুটে ভোগান্তি

দোহারে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারালো ৭ নারী

Chif Editor

নাছির উদ্দিন পল্লব :

ঢাকার দোহার উপজেলায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে স্বর্ণালংকার হারালো ৭ নারী। রোববার হাসপাতালের বহির্বিভাগে এ ঘটনা ঘটে। দোহার থানা পুলিশ চোর শনাক্ত করতে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করছে।
ভুক্তভোগী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রোববার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের চিকিৎসা সেবা নিতে এসে তারা তাদের স্বর্ণালংকার হারিয়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে উপজেলার লটাখোলা গ্রামের রিনা আক্তারের আট আনা ওজনের চেইন, করম আলী মোড়ের হালিমনের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন, নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগমের ১০ আনা ওজনের দুল ও চেইন, বিলাশপুর ইউনিয়নের কুতুবপুরের কমলা বেগমের সাড়ে আট আনা ওজনের চেইন ও পুষ্পখালীর শারমিন আক্তারের আট আনা ওজনের গলার চেইন খোয়া গেছে। অন্য এক নারী আগেই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্র থেকে বাড়ি চলে যাওয়ায় তার সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
ভুক্তভোগী নারিশা পশ্চিমচর গ্রামের সামিরা বেগম জানান, তিনি তার দেড় বছর বয়সী ছেলে সায়মনকে কোলে নিয়ে চিকিৎসকের অপেক্ষায় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভিড়ের চাপে তার গলা থেকে চেইন ও কানের দুল নিয়ে যায় কে বা কারা। ছেলেকে বুকের দুধ খাওয়াতে গেলে তখন তিনি বিষয়টি টের পান।

এছাড়াও কয়েকদিন আগে দেশ পত্র পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত  সম্পাদক এর পুত্রবধুর গলার চৌদ্দ আনি স্বর্নের চেইন একই কায়দায় একই স্থান হতে নিয়ে যায়। এবং সম্পাদক নিজ উদ্যোগে সিসি ফুটেজ চেক করতে গেলে গুরুত্বপূর্ণ দুটি ক্যামেরা বন্ধ থাকায় চোর সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
দোহার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জসিম উদ্দিন জানান, রোগীদের কাছ থেকে ইতোপূর্বেও তিনি এমন অভিযোগ পেয়েছেন। এরপর থেকেই গোটা হাসপাতাল এলাকায় সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। দোহার থানা পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে এ বিষয়ে আগেও তিনি মৌখিকভাবে জানিয়েছেন।
দোহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোস্তফা কামাল জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের অভিযোগ নেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে স্থাপন করা সকল সিসি ক্যামেরার ছবি ও ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের আটক করতে পারবেন বলে তিনি আশাবাদী।

Leave a Reply